Transformer কি?
ট্রান্সফরমার একটি স্থির অ্যাপারেটাস (Apparatus)। এর সাহায্যে ফ্রিকোয়েন্সিকে ঠিক রেখে বৈদ্যুতিক শক্তিকে এক সার্কিট হতে অন্য সার্কিটে স্থানান্তর করা যায়, তাকে ট্রান্সফরমার বলে। ট্রান্সফরমারের দুইটি ওয়াইন্ডিং থাকে। যথা-প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং ও সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিং। ট্রান্সফরমার এর প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি ওয়াইভিং ওয়াইন্ডিং এর মধ্যে কোন সরাসরি ইলেকট্রিক্যালি কোন সংযোগ থাকে না। কিন্তু ম্যাগনেটিক্যালি সংযোগ থাকে। ট্রান্সফরমার ল্যামিনেটেড আয়রন কোরের সমন্বয়ে গঠিত। এই আয়রন কোরগুলো সিলিকন স্টীলের হয়ে থাকে। ট্রান্সফরমার এর অনেক সুবিধা আছে। এর মধ্যে কোন ঘুরন্ত অংশ নাই। কাজেই রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক কম এবং কার্যদক্ষতা অনেক বেশি হয়। একটি ট্রান্সফরমার এর কার্যদক্ষতা ৯৯% হইয়া থাকে।বড় বড় ট্রান্সফরমার-এর রেটিং KVA ও MVA দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
যে ওয়াইন্ডিং-এ অল্টারনেটিং ফ্লাক্স উৎপন্ন হয় তাকে প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং বলে। কিংবা যে ওয়াইন্ডিং বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের সংগে সংযুক্ত করা হয় তাকেও প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং বলে। আবার যে ওয়াইন্ডিং এ অল্টারনেটিং ফ্লাক্সের দ্বারা ভোল্টেজ উৎপন্ন হয় তাকে সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিং বলে। অর্থাৎ যে ওয়াইন্ডিং গ্ৰাহকের বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ করে থাকে তাকে সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিং বলে।
ট্রান্সফরমার এর মূলতত্ত্বঃ
ট্রান্সফরমার মিউচুয়্যাল ইলেকট্রো ম্যাগনেট ইন্ডাকশন তত্ত্বের উপর কাজ করে থাকে। অল্টারনেটিং ভোল্টেজ প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং এ সরবরাহ করার ফলে প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং এ অল্টারনেটিং কারেন্ট সারকুলেটিং হতে থাকে। এ কারেন্ট কোরের মধ্যে অল্টারনেটিং ফ্ল্যাক্স উৎপন্ন করে থাকে। এই ফ্লাক্স প্রসারণ ও ভেঙ্গে পড়ার ফলে ওয়াইন্ডিং টার্নকে কর্তন করার কারণেই প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং-এ অল্টারনেটিং ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়।
প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং-এ উৎপন্ন ভোল্টেজ সাপ্লাই ভোল্টেজ এর সমান। এই অল্টারনেটিং ফ্লাক্স সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিং-এর সাথে সংযুক্ত থাকায় ফ্যারাডের তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের তত্ত্বানুযায়ী তড়িৎ চাপের সৃষ্টি হয়। ট্রান্সফরমার - সেকেন্ডারি কয়েলে যে ভোল্টেজ উৎপন্ন হয় তাকে Mutual induction emf বলে।
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
অবদানকারী
শনিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮
বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮
ফ্রেশ ইঞ্জিনিয়ারদের কাজে আসতে পারে।
1. What is the formula for RPM?
Ans: Ns=120f/p
2. What is the formula for 3phase Power?
Ans: P=root3.VICos¤
3. What is the standard value of Power Factor?
Ans: 0.8
4. What is the frequency for Direct Current?
Ans: 0
5. Whats are the stroke of 4 Stroke Engine?
Ans: Intake, Compression, Combustion, Exhaust
6. What is the full form of IGBT?
Ans: Insulated Gate Bi-Polar Transistor.
7. Write down the abbreviation of
ACB
VCB
MCCB
REB
PBS
Ans:
ACB=Air Circuit Breaker
VCB=Vacuum Circuit Breaker
MCCB=Molded Case Circuit Breaker
REB=Rural Electrification Board
PBS=Palli Bidyut Shamity
8. Types of Transistor?
Ans: 2 types. (1)NPN (2)PNP
9. Conditions of Synchronization between two or more Generator?
Ans:
a. Same Phase sequence
b. Same Frequency
c. same voltage
10. Kinds of Electrical Fault?
Ans:
a. Symmetrical Fault
b. Unsymmetrical Fault
=> ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রদের জন্য কিছু প্রাথমিক জ্ঞান
**ওহমের সূত্র:- কোন সার্কিটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট ঐ সার্কিটের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক অর্থাৎ V∞I বা V=IR ।
**কারেন্ট:- পরিবাহির মধ্যদিয়ে ইলেক্ট্রনের প্রবাহকে বলা হয় কারেন্ট ।কারেন্টের একক অ্যাম্পিয়ার সংক্ষেপে Amp বা A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
**ভোল্টেজ:- ইলেক্ট্রন গুলোকে স্থানচুত্য করার জন্য প্রয়োজনীয় চাপকে ভোল্টেজ বলা হয় । ভোল্টেজের একক ভোল্ট Volt বা V।
**রেজিস্টেন্স:- কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে কারেন্ট বা ভোল্টেজ চলাচলে যে বাধা প্রাপ্ত হয় তাই রেজিস্টেন্স, সার্কিটের মধ্যে রেজিস্টর ব্যবহার করা হয় প্রয়োজনীয় বাধা দানের জন্য। রেজিস্টেন্সের একক ওহম(Ω) দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।
**এসি(AC): অলটারনেটিং করেন্ট।
**ডিসি(DC):ডাইরেক্ট কারেন্ট।
**ফ্রিকুয়েন্সি:- কোন পরিবর্তনশীল রাশি প্রতি সেকেন্ট যতগুলি সাইকেল সম্পন্ন করে তাকে ফ্রিকুয়েন্সি বলে ।
**পাওয়ার ফ্যাক্টর:- অল্টারনেটিং কারেন্ট এবং ভোল্টেজ এর মধ্যবর্তী ফেইজ অ্যাংঙ্গেল এর Cosine মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে অথবা এসি সার্কিটের Active Power ও Apparent Power এর অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে ।
**করোনা কি:- যখন দুইটি কন্ডাক্টরের স্পেসিং ব্যাসের তুলনায় বেশী অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়ি এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হয় তখন এক বিশেষ পর্যায়ে কন্ডাক্টরের চার পার্শের বাতাস আয়নিত হয় এবং বাতাসের ইনসুলেশন স্ট্রেস ভেঙ্গে যায় । এই অবস্থায় কন্ডাক্টর এর চারিদিকে হালকা অনুজ্জ্বল বেগুনী রশ্মী দেখা দেয়, হিস হিস শব্দ হয় এবং ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয় এই ঘটনাকেই করোনা বলা হয় ।
**স্কিন ইফেক্ট কি:- এসি বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহীর ভিতরে প্রবেশ না করে যে ধর্মের জন্য পরিবাহীর উপরিতল দিয়ে প্রবাহিত হয় বা হওয়ার চেস্টা করে তাকে স্কিন ইফেক্ট বলে।
=> স্কিন ইফেক্ট তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল :
*কন্ডাক্টর পদার্থের গুনাবলীর উপর ।
*কন্ডাক্টরের ব্যাসের উপর।
*ফ্রিকুয়েন্সির উপর।
**Puncture voltage:- যে ভোল্টেজে এ ইনসুলেটরের এর ইনসুলেসন সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলতে পারে তাকে Puncture voltage বলে ।
**Flash over voltage:- যদি পরিবাহিতে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় এবং তা বাতাসে নস্ট হয়ে যায় এবং প্রচন্ড বিদ্যুৎ জলকের সৃষ্টি হয় তখন এই ভোল্টেজকে Flash over voltage বলা হয় ।
**সেগ বলতে কি বুঝায়:- দুইটি টাওয়ার বা পোলের যেই বিন্দুতে তার টানা বা সংযোগ করা হয় সেই বিন্দু দুইটির সংযোজনকারী আনুভূমিক কাল্পনিক রেখা হতে তারের সর্বোচ্চ ঝুলে পড়া বিন্দু পর্যন্ত দুরত্বকে সেগ বলা হয় ।
**সেফটি ফেক্টর:- আলটিমেট বা Breaking stress বা Working stress এর অনুপাতকে সেফটি ফেক্টর বলে বলা হয় ।
**ত্রি ফেইজ মোটর উল্টা ঘূর্নণ পদ্ধতি কিভাবে করা হয়:- ত্রি ফেইজ মোটরের তিনটি ফেইজের যে কোন দুইটি ফেইজ পাল্টিয়ে দিলে মোটর উল্টা ঘুরবে ।
**ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস:- ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রোমেগনেটিক ডিভাইস।
**ট্রান্সফরমার ওয়েলের বাণিজ্যিক নাম কি:- পাইরাণল(pyranol)।
**স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের কোন পাশে তারের প্যাচঁ সংখ্যা বেশি থাকে:- সেকেন্ডারিতে।
**ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ কি:- শুস্ক বাতাস ট্যাংকে প্রবেশ করানো ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ ।
**ব্রীদারে শুস্ক বাতাস পরিবহনের জন্য তথা আদ্রতা মুক্ত বাতাস পরিবহনের জন্য ব্রীদারে কি পদার্থ ব্যবহার করা হয়:- সিলিকা জেল ।
**সিলিকা জেল নস্ট হলে কি রং এ পরিণত হয়: – কালো ।
=> ট্রানজিস্টরের অপারেশন/একটিভ মোডে কারেন্ট প্রবাহের কৌশল:
=> npn ট্রানজিস্টরের ক্ষেত্রে:
দুটি ভোল্টেজ সোর্স (VBE এবং VCB) ট্রানজিস্টরের একটিভ মোড অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় বায়াস দেয়ার কাজে সংযুক্ত করা হয়েছে। VBE সোর্স বেজ-ইমিটার জাংশনে ফরওয়ার্ড বায়াস প্রদান করে এবং সোর্স VCB বেজ কালেকটর জাংশনে রিভার্স বায়াস প্রদান করে।
বেস-ইমিটার জাংশনটি ফরওয়ার্ড বায়াস হওয়ার কারনে n টাইপ ইমিটার অঞ্চল হতে প্রচুর ইলেকট্রন (মেজররিটি কেরিয়ার) বেস-ইমিটার জাংশন অতিক্রম করে p টাইপ বেস অঞ্চলে ডিফিউজ হয় ফলে ইমিটার কারেন্ট IE প্রবাহিত হয়। বেস স্তরটি খুব পাতলা ও হালকা ডোপিংকৃত p টাইপ সেমিকন্ডাকটর হওয়ার কারনে এতে খুব সামান্য পরিমান মেজরিটি কেরিয়ার (হোল) বিদ্যমান। এই অল্প সংখ্যক হোল হতে কিছু সংখ্যক হোল ইমিটার অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়ে বেস কারেন্ট iB1 প্রবাহিত হয়। বেস স্তরের অবশিষ্ট সামান্য সংখ্যক হোল আগত প্রচুর সংখ্যক ইলেকট্রন হতে খুব সামান্য কিছু ইলেকট্রনের সাথে মিলিত হয়ে ইলেকট্রন-হোল রিকম্বিনেশন ঘটে, একারনেও খুব সামান্য পরিমান বেস কারেন্ট iB2 প্রবাহিত হয়, অর্থাত বেস কারেন্ট iB এর দুটি উপাদান iB1 এবং iB2। বেস স্তরে আগত অবশিষ্ট প্রচুর ইলেকট্রন বেস স্তরের জন্য মাইনরিটি কেরিয়ার হিসাবে বিবেচিত। আমরা জানি রিভার্স বায়াসে মাইনরিটি কেরিয়ারের জন্য পিএন জাংশনের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহ হয়। বেস-কালেকটর জাংশনটি রিভার্স বায়াস হওয়ার কারনে p টাইপ বেস অঞ্চল হতে প্রচুর ইলেকট্রন (মাইনরিটি কেরিয়ার) বেস-কালেকটর জাংশন অতিক্রম করে n টাইপ কালেকটর অঞ্চলে গৃহীত হয় এবং VCB সোর্সের পজেটিভ টার্মিনাল দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে বহিস্থঃ বর্তনীতে কারেন্ট IC প্রবাহ ঘটায়। এভাবে npn ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কারেন্ট প্রবাহিত হয়, খুব সামান্য বেস কারেন্ট যা হোল প্রবাহের জন্য সৃষ্ট তা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। চিত্রে তীর চিহ্ন দ্বারা IE , IB , IC এর কনভেনশনাল কারেন্ট প্রবাহের দিক দেখানো হয়েছে ইলেকট্রন প্রবাহের দিক তার বিপরীত দিকে। ট্রানজিস্টরের বেস পয়েন্টে KCL প্রয়োগ করলে আমরা পাই,
IE = IB + IC ………………. (i)
অর্থাত, একটি ট্রানজিস্টরের সকল কারেন্ট ইমিটার টার্মিনাল দিয়ে নিঃসরিত হয়।
=> pnp ট্রানজিস্টরের ক্ষেত্রে:
দুটি ভোল্টেজ সোর্স (VEB এবং VBC) ট্রানজিস্টরের একটিভ মোড অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় বায়াস দেয়ার কাজে সংযুক্ত করা হয়েছে। VEB সোর্স বেজ-ইমিটার জাংশনে ফরওয়ার্ড বায়াস প্রদান করে এবং সোর্স VBC বেজ কালেকটর জাংশনে রিভার্স বায়াস প্রদান করে।
বেস-ইমিটার জাংশনটি ফরওয়ার্ড বায়াস হওয়ার কারনে p টাইপ ইমিটার অঞ্চল হতে প্রচুর হোল (মেজররিটি কেরিয়ার) বেস-ইমিটার জাংশন অতিক্রম করে n টাইপ বেস অঞ্চলে ডিফিউজ হয় ফলে ইমিটার কারেন্ট IE প্রবাহিত হয়। বেস স্তরটি খুব পাতলা ও হালকা ডোপিংকৃত n টাইপ সেমিকন্ডাকটর হওয়ার কারনে এতে খুব সামান্য পরিমান মেজরিটি কেরিয়ার (ইলেকট্রন) বিদ্যমান। এই অল্প সংখ্যক ইলেকট্রন হতে কিছু সংখ্যক ইলেকট্রন ইমিটার অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়ে বেস কারেন্ট iB1 প্রবাহিত হয়। বেস স্তরের অবশিষ্ট সামান্য সংখ্যক ইলেকট্রন আগত প্রচুর সংখ্যক হোল হতে খুব সামান্য সংখ্যক হোলের সাথে মিলিত হয়ে ইলেকট্রন-হোল রিকম্বিনেশন ঘটে, একারনেও খুব সামান্য পরিমান বেস কারেন্ট iB2 প্রবাহিত হয়, অর্থাত বেস কারেন্ট IB এর দুটি উপাদান iB1 এবং iB2। বেস স্তরে আগত অবশিষ্ট প্রচুর হোল বেস স্তরের জন্য মাইনরিটি কেরিয়ার হিসাবে বিবেচিত। আমরা জানি রিভার্স বায়াসে মাইনরিটি কেরিয়ারের জন্য পিএন জাংশনের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহ হয়। বেস-কালেকটর জাংশনটি রিভার্স বায়াস হওয়ার কারনে n টাইপ বেস অঞ্চল হতে প্রচুর হোল (মাইনরিটি কেরিয়ার) বেস-কালেকটর জাংশন অতিক্রম করে p টাইপ কালেকটর অঞ্চলে গৃহীত হয় এবং VBC সোর্সের নেগেটিভ টার্মিনাল দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে বহিস্থঃ বর্তনীতে কারেন্ট IC প্রবাহ ঘটায়। এভাবে pnp ট্রানজিস্টরে হোল প্রবাহের মাধ্যমে কারেন্ট প্রবাহিত হয়, খুব সামান্য বেস কারেন্ট যা ইলেকট্রন প্রবাহের জন্য সৃষ্ট তা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। চিত্রে তীর চিহ্ন দ্বারা IE , IB , IC এর কনভেনশনাল কারেন্ট প্রবাহের দিক দেখানো হয়েছে ইহা হোল প্রবাহের দিক। ট্রানজিস্টরের বেস পয়েন্টে KCL প্রয়োগ করলে আমরা পাই,
IE = IB + IC ………………. (ii)
অর্থাত, একটি ট্রানজিস্টরের সকল কারেন্ট ইমিটার টার্মিনাল দিয়ে নিঃসরিত হয়।
=> সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ (Trip) করে কখন?
মিনিয়েচার টাইপ সার্কিট ব্রেকার (MCB) গুলো সাধারণত ৩ ধরণের হয়। এই ধরন বা টাইপ অনুযায়ী এদের ট্রিপিং কারেন্ট ও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে, যথা-
=> টাইপ B সার্কিট ব্রেকার – ৩ থেকে ৫ গুণ বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হলে এগুলো ট্রিপ করে;
=> টাইপ C সার্কিট ব্রেকার – ৫ থেকে ১০ গুন বেশি কারেন্টে এগুলো ট্রিপ করে;
=> টাইপ D সার্কিট ব্রেকার – লোড কারেন্ট ১০ থেকে ২০ গুণ হলে এগুলো ট্রিপ হয়।
মূলত কোন সার্কিট ব্রেকার কখন ট্রিপ করবে তা তার ম্যানুয়েল বা ডাটাশিট এ উল্লেখ থাকে।
=> সার্কিট ব্রেকার লাগানোর ওয়্যারিং ডায়াগ্রাম
সাধারণত সার্কিট ব্রেকার কে কোন লোডের সিরিজে সংযোগ দিতে হয়। কি ধরণের লোড ব্যবহার হচ্ছে এবং লোডের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ পরিমাণ কারেন্ট রেটিং অনুযায়ী সার্কিট ব্রেকার লাগাতে হয়।
নিচে একটি বাসার বিভিন্ন রুমের জন্য লোডের পাওয়ার রেটিং অনুযায়ী সার্কিট ব্রেকার ব্যবহারের তুলনা মূলক ডায়াগ্রাম দেয়া হলো-
রেটিং
১। প্রত্যেক ট্রানসফরমারের ইম্পিডেন্স থাকতে হবে
= ৭.৫%।
২। ট্রানসফরমারের কর্ম দক্ষতা
= ৯৫-৯৮%।
৩। সার্কিট ব্রেকার নির্নয়ের কৌশল
= মোট লোডের উপর ১.২৫ গুন।
৪। PLC যদি ডিভাইস না হয় তাহলে কি?
=Power Line Carrier.
৫। SWG দিয়ে তার যত মোটা হবে গেজ সংখ্যা
=তত কম হবে।
শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
সর্বোচচ উৎপাদন ক্ষমতা=১১৬২৪ মেগা ওয়াট।
মোট গ্রাহক সংখ্যা =৩ কোটি ১৮ লক্ষ।
মোট সঞ্চালন লাইন =১১৩৫৩ কিমি
বিতরণ লাইন =৪ লক্ষ ৭৯ হাজার কিমি
সিস্টেম লস=১১.৮৭%(জুন,২০১৮)বিতরণ লস=৯.৬০% (জুন,২০১৮)
মাথাপিছু উৎপাদন =৪৬৪ kwh
বিদ্যুৎ সুবিধা ভূক্ত জনগোষ্ঠী =৯১%
বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মোটর
১।নাম=মাইক্রো পিজো মোটর
২। মডেল=SQL-RV-1.8
৩।সাইজ=২.৮×২.৮×৬ মি.মি.
৫। স্পিড =৭ মিমি/সেঃ
৬। ওজন=৩০ গ্রাম
৭। ভোল্টেজ =৩.৩ vdc
৮। ক্যাপাসিটি=৩৪০ mW
৯। জার্মানীর।
#পাখি_ইলেকট্রিক_তারে_বসলে_মরে_না_কেন?
আমরা সবাই ছোটবেলা থেকে জেনে আসছি যে,
ডিম পাড়া প্রাণী কারেন্ট শক খায়না, তাই পাখি কারেন্টের তারে বসলে মরে না।
কিন্তু আপনি জানেন কি? তথ্যটা একেবারে ভুল।
সত্য কথা হলো পাখিরাও কারেন্ট শক খায়।
#আসুন_জানা_যাক_ব্যাপার_টা_কি?
#কারেন্টের_ধর্মঃ
কারেন্ট হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। এটি ধাতব তারের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। যে তার কারেন্টের উৎসের সাথে যুক্ত থাকে তাকে ধনাত্মক লাইন আর যে তার দিয়ে উৎসে ফিরে যায় তাকে
ঋনাত্নক লাইন বা আর্থিং বলে।
#কারেন্ট_শক_কি?
প্রাণিদেহে যে সকল পেশীকলা আছে তাদের ধর্ম হলো কারেন্ট শক পেলে সংকুচিত হওয়া। এই ধর্ম কাজে লাগিয়ে দেহ পেশীকলা থেকে কাজ আদায় করে নেয় ফলে দেহ সচল থাকে। কিন্তু দেহ যে পরিমাণ কারেন্ট উৎপন্ন করে তার বেশি কারেন্ট দেহে প্রবেশ করলেই দেহ অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পরে ফলে পেশীর অতিসংবেদনশীলতার দরূন প্রাণী কারেন্টের তার থেকে ছিটকে যায় বা দেহে ঝাকুনি হয় এই ঘটনাকে বলে কারেন্ট শক।
#কারেন্ট_শকে_প্রাণী_মরে_কেন?
প্রাণীদের হৃদপিন্ডে যে পেশীকলা থাকে তা সর্বদা কাজ করে কখনো বিশ্রাম করে না। এর কারণ হলো কারেন্ট শক। হৃদপিন্ডের পেসমেকার কারেন্ট তৈরি করে এবং পারকিন্জে তন্তুুর সাহায্য সারা হৃদপিন্ডে প্রবাহিত করে ফলে হৃদপিন্ড একসাথে কাজ করে। পেসমেকার শুধু কারেন্ট উৎপন্নই করে না সুইচ হিসেবে কাজ করে কারেন্টের প্রবাহ অন-অফ করে ফলে হৃদপিন্ড ছন্দময় ভাবে কাজ করতে পারে। যদি বাইরে থেকে বিদ্যুৎ দেহে প্রবেশের পর বর্তনী পূর্ণ করে তবে হৃদপিন্ডে কারেন্টের অনবরত প্রবাহ চলে এবং হৃদপিন্ডের অন-অফ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় ফলে হৃদপিন্ডের কাজ শুরু হয় কিন্তু শেষ হয়না। একারণে প্রণীর মৃত্যু ঘটে।
#পাখি_কারেন্ট_শক_খায়না_কেন?
কারেন্ট শক খাওয়ার পূর্বশর্ত হলো ধনাত্মক ও ঋনাত্নক লাইন একসাথে স্পর্শ করা বা বর্তনী পূর্ণ করা। কিন্তু পাখি কখনো একসাথে দুই তারে বসে না। এরা হয় শুধু ধনাত্মক নয় শুধু ঋনাত্নক তারে বসে ফলে বর্তনী পূর্ণ হয়না ফলে পাখি মরে না।
পাখির গায়ে পালক থাকে এবং পায়ের চামরার উপরে যে আবরণ খাকে তা বিদ্যুৎ অপরিবাহী এই কারনেও পাখিরা কারেন্ট শক খায়না। তবে পাখির পালক তুলে ফেললে পাখিরা কারেন্ট শক খাবে। এটা একদম সত্য। আবার পাখিরা যদি দুই তারে বসে তবে অবস্যই কারেন্ট শক খাবে।
#কিছু_বিশেষ_তথ্যঃ
#ক)
মানব দেহের ভেতর দিয়ে ১০ মিলি এম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হলে মৃত্যু অবধারিত।
#খ)
মানব দেহে প্রাকৃতিক ভাবে ২ মেগা ওহম রেজিট্যান্স আছে ফলে ১০ মিলিএম্পিয়ার এর নিচে কারেন্ট প্রবেশ করলে কারেন্ট শক করে না।
#গ)
একজন ৭০কেজি ভরের মানুষের দেহে ৭৫ মিলিএ্যাম্পিয়ার ডিসি কারেন্ট এবং এসির ক্ষেত্রে ১৫ মিলিএ্যাম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হলে বৈদ্যুতিক শক অনুভুত হয়।
#ঘ)
বৈদ্যুতিক শক অনুভুতির
মাত্রা নির্ভর করে ভোল্টেজের পরিমাণ,
স্থায়ীত্ব, কারেন্ট প্রবাহের পথ ইত্যাদির উপর।
#ঙ)
উচ্চ ভোল্টেজে (৫০০-১০০০ ভোল্টে) মানুষের দেহের কোষ পুড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।বৈদ্যুতিক শক মানুষের স্নায়ুর উপর প্রভাব ফেলতে
পারে।
#যেমনঃ
স্নায়ু বিকলাংগ হয়ে যেতে পারে।কম ভোল্টেজে (১১০-২২০ ভোল্ট , ৬০হার্জ এসি)মাত্র ৬০ ডিসি কারেন্টকারেন্ট প্রবাহিত হলে মানুষের হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া (Ventricular fibrillation)বন্ধ হয়ে যেতে পারে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই।
ডিসি কারেন্টের ক্ষেত্রে এর মান ৩০০-৫০0 মিলিএ্যাম্পিয়ার।
কপি:ইঞ্জিনিয়ার রাউফুল ভাই।
মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮
উঃ। থ্রি ফেজ মোটরে স্টর্টিং মুহুর্তে স্টার কানেকশন এবং ৪০% রার্নিং হলে ডেলটায় কানেকশন করা হয়।
একটি অফ মোটর চালু করার মুহুর্তে শর্ট সার্কিটের মত কাজ করে।
অর্থাৎ অনেক কারেন্ট গ্রহন করে।স্টার কানেকশনে ভোল্টেজ বেশি কারেন্ট কম।আবার ডেল্টায় ভোল্টেজ কম কারেন্ট বেশি। তাই প্রথমে স্টার কানেকশন এবং পরে ডেল্টা কানেকশন করা হয়।
শনিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮
HFO Power Plant এর উপর সংক্ষিপ্ত লেখার পুরোটা।একেবারেই প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।
পর্ব ১। HFO Power Plant
দেশে কিছু কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি হতে শুরু করেছিল কয়েক বছর আগে। তখন দ্রুততার সাথে প্ল্যান্ট সার্ভিসে আসাটায় ছিল মূল বিষয়। তখন ইঞ্জিন বেজ পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রতি মনোনিবেশ বেড়ে গেল। এবং এইসব ইঞ্জিন বেজ প্ল্যান্টের ফুয়েল হিসাবে ব্যবহৃত হয় Heavy Fuel Oil বা HFO. এখনও এই ফুয়েল ব্যবহার করে প্ল্যান্ট গড়ে উঠতেছে।
একটা HFO বেজ পাওয়ার প্ল্যান্টে কি কি থাকে? আজকে সেই বিষয়গুলোই দেখা যাক।
ইঞ্জিনঃ এটি মূলত internal combustion Engine। সম্পূর্ণ Diesel Engine এর কার্যকারীতা বিশিষ্ট। শুধুমাত্র ফুয়েল হিসাবে Diesel এর জায়গায় HFO ব্যবহার করা হয়। আবার এটি সম্পূর্ণ Marine Engine বলা চলে।
বাংলাদেশে Wartsila, MAN এইসব কোম্পানির ইঞ্জিন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।তাছাড়াও CAT, STX এর ইঞ্জিনও ব্যবহৃত হয়।
ফুয়েলঃ HFO ফুয়েল একধরনের Complex group of Hydrocarbon products যা মূলত ‘Refinery Residual’ (residues of crude oil refining process)এবং আলকাতরা সদৃশ অয়েল।এর density এবং viscosity ডিজেলের তুলনায় বেশি হয়। তাই এটি ইঞ্জিনে ব্যবহারের আগে Heat up করে নিতে হয়। এর কম্বাশনে পরিবেশে কালো কার্বন ধূয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং এর কম্বাশন প্রোডাক্ট particulate matter, NOx, SOx এসব বহন করে।
HFO Main & secondary storage tank: এখানে সরাসরি জাহাজ/লরি/ট্রেন থেকে ট্রান্সফার পাম্পের মাধ্যমে HFO unload করে store করা হয়। এবং এর ভিতরে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা (50oC এর মত) maintain করার জন্য Steam supply দেওয়া হয়।
Oil Purifier: এখানে দুই ধরনের Oil Purifier আছে।বলা হয়ে থাকে HFO সবচেয়ে dirtiest ফুয়েলগুলোর একটি। এজন্য একধরনের Purifier ব্যবহার হয় HFO purification এর জন্য এবং এজন্য একধরনের Purifier ব্যবহার হয় lube Oil purification এর জন্য।
HFO Filter: অনেক সময় HFO Purifier এর পর duplex HFO Filter ব্যবহার করা হয়।
Service Tank/Day tank: ইঞ্জিনে মেইন ফিড দেওয়ার জন্য Service Tank/Day tank এ ফুয়েল সরবরাহ করা হয়। এখানে তাপমাত্রা আরো বেশি থাকে (70oC-90oC এর মত)।
HFO Booster Module: এইখানে HFO কে heating এর মাধ্যমে এর density adjust করা হয় এবং viscosity module এর মাধ্যমে viscosity adjust করা হয়।
Booster Module to Engine: Booster Module থেকে filtered HFO এরপর ইঞ্জিনে যায়।আর এইপথ (Booster Module to Engine) অতিক্রম করতে সাহায্য করে high pressure fuel pump and fuel injection valve/fuel injector.
Fuel Pump: একটি plunger type high-pressure fuel pump থাকে যেখানে মূলত একটি cylinder এর ভিতর একটি plunger reciprocating motion এ চলে।
Fuel Injector: combustion chamber এ fuel inject করতে Fuel injector ব্যবহার করা হয়। এটি fuel এর পরিমাণ ঠিক রেখে fuel কে atomize এবং vaporize করে compressed air এর সাথে mix করে। Fuel pump high pressure এ fuel injector এ fuel delivery দিয়ে থাকে।
বি.দ্র. অনেক সময় দেখা যায় Booster Module থেকে Fuel Pump এর আগে একটা Fuel Accumulator থাকে।যা ইঞ্জিনে emergency backup হিসাবে ব্যবহার হয়।
Engine: Engine এর কার্যকরীতা এখানে বিস্তারিত বলা হলো না।
Lubricating Oil System: ইঞ্জিনে প্রচুর পরিমাণে Lubricating Oil লাগে। নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে Lubricating Oil চেঞ্জ করা লাগে। Engine lubrication system এ সাধারণত দুই ধরনের pump থাকে। একটা pre-lubrication pump যা ইঞ্জিন চালু হওয়ার আগে চালাতে হয় এবং এটি motor driven. পরে main lubrication pump চালু হয় যা engine driven. Lube oil engine lubrication শেষ করে Engine sump এ জমা হয় এবং engine sump থেকে সেটি lube oil cooler এ যায়। oil cooler থেকে বের হয়ে এটি oil separator হয়ে আবার সিস্টেমে প্রবেশ করে।
Engine Cooling System: Cooling System এ সাধারণত দুই ধরনের cooling water ব্যবহৃত হয়। একটি Low Temperature Cooling water (LT) এবং অপরটি High Temperature Cooling water (HT). Engine এর Thermal Stress কে বিবেচনায় রেখে এই দুই ধরনের পৃথক তাপমাত্রার Cooling water ব্যবহার করা হয়।কারণ Heavy Hot body কে খুব বেশি ঠান্ডা medium দ্বারা Cool করলে ঐ body এর deformation হতে পারে।
Low Temperature Cooling water (LT): LT water সাধারণত charge air এর temperature control করতে ব্যবহার করা হয়।এছাড়া বিভিন্ন Heat Exchanger যেমনঃ Lube oil cooler এ ব্যবহৃত হয়।
High Temperature Cooling water (HT): HT water কে বলা হয় Jacket water. Cylinder liner, cylinder head ইঞ্জিনের ইত্যাদি অংশের তাপমাত্রা কমিয়ে আনতে HT water ব্যবহার করা হয়।
Cooling Tower বা Radiator: এই cooling water যখন সিস্টেমের তাপমাত্রা কমিয়ে বের হয়ে আসে তখন এর নিজের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই এই cooling water এর তাপমাত্রা হ্রাস করতে Cooling Tower বা Radiator ব্যবহার করা হয়।
Turbo Charger: ইঞ্জিনের combustion chamber এ extra compressed air সরবরাহ করে ইঞ্জিনের efficiency and power output বৃদ্ধি করতে Turbo Charger ব্যবহার করা হয়্।এটি turbine-driven একধরনের forced induction device.
Boiler: HFO plant এ HFO Storage tank এবং Booster Module এর তাপমাত্রা ঠিক রাখতে এর ভিতর Heat exchanging medium হিসাবে steam ব্যবহৃত হয়।এই steam তৈরির জন্য Boiler বা Steam Generator লাগে। এখানে Boiler এর Heating medium/ Fuel হিসাবে ইঞ্জিনের exhaust gas ব্যবহার করা হয়।যেহেতু exhaust gas একধরনের waste gas তাই এই গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে যখন Steam Generate করা হয় তখন সেই Boiler কে Waste Heat Recovery Boiler (WHRB)বলে। তবে প্রাথমিক অবস্থায় যখন ইঞ্জিন চালু থাকে না তখন Heating এর জন্য যে steam লাগে তার জন্য Oil Fired Boiler ব্যবহার করা হয়।
Control Room: এখানে প্ল্যান্টের যাবতীয় সিস্টেমের কন্ট্রোল করা হয়। সারা বিশ্বের পাওয়ার প্ল্যান্টে এখন distributed control system (DCS) ব্যবহার করা হয়। Control Room থেকে প্রতিটা সিস্টেম চালু করা, বন্ধ করা, কন্ট্রোল করা, মনিটরিং সবই করা হয়।
এছাড়া প্রতিটি পাওয়ার প্ল্যান্টে MCC Room, Battery Room, Ware House/ Store, Workshop, Water Treatment Plant (WTP), Effluent Treatment Plant (ETP)/ Waste Water Treatment Plant (WWTP) Switch Yard এসব থাকে।
বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
১। GPA - এর পূর্ণরূপ—Grade point Average ২। J.S.C - এর পূর্ণরূপ — Junior School Certificate.
৩। J.D.C - এর পূর্ণরূপ — Junior Dakhil Certificate.
৪। S.S.C - এর পূর্ণরূপ — Secondary School Certificate.
৫। H.S.C - এর পূর্ণরূপ — Higher Secondary Certificate.
৬। A.M - এর পূর্ণরূপ — Ante meridian.
৭। P.M - এর পূর্ণরূপ — Post meridian.
৮। B. A - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Arts. ৯। B.B.S - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Business Studies.
১০। B.S.S - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Social Science. ---
১১। B.B.A - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Business Administration
১২। M.B.A - এর পূর্ণরূপ — এর পূর্নরূপ — Masters of Business Administration.
১৩। B.C.S - এর পূর্ণরূপ — Bangladesh Civil Service.
১৪ । M.A. - এর পূর্ণরূপ — Master of Arts.
১৫। B.Sc. - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Science. ১৬। M.Sc. - এর পূর্ণরূপ — Master of Science.
১৭। B.Sc. Ag. - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Science in Agriculture .
১৮। M.Sc.Ag.- এর পূর্ণরূপ — Master of Science in Agriculture.
১৯ । M.B.B.S. - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Medicine, Bachelor of Surgery.
২০। M.D. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of Medicine./ Managing director. -----
২১। M.S. - এর পূর্ণরূপ — Master of Surgery. ২২। Ph.D./ D.Phil. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of Philosophy (Arts & Science)
২৩। D.Litt./Lit. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of Literature/ Doctor of Letters.
২৪। D.Sc. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of Science.
২৫। B.C.O.M - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Commerce.
২৬। M.C.O.M - এর পূর্ণরূপ — Master of Commerce.
২৭। B.ed - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of education.
২৮। Dr. - এর পূর্ণরূপ — Doctor.
২৯। Mr. - এর পূর্ণরূপ — Mister.
৩০। Mrs. - এর পূর্ণরূপ — Mistress.
-----
৩১। M.P. - এর পূর্ণরূপ — Member of Parliament.
৩২। M.L.A. - এর পূর্ণরূপ— Member of Legislative Assembly.
৩৩। M.L.C - এর পূর্ণরূপ — Member of Legislative Council.
৩৪। P.M. - এর পূর্ণরূপ — Prime Minister.
৩৫। V.P - এর পূর্ণরূপ — Vice President./ Vice Principal.
৩৬। V.C- এর পূর্ণরূপ — Vice
শনিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৮
ভাইবা
ভাইভা Experience শেয়ার
আজকের ভাইভার প্রশ্ন
১। আপনার নাম কী ?
২ । আপনার বাড়ি কোথায় ?
৩। আগে কয়টি ফ্যাক্টিরীতে চাকুরী করেছেন ?
৪। বর্তমানে কোথায় জব করছেন ?
৫ । আপনাদের ফ্যাক্টিরীতে কি কি মেশিন পত্র আছে , কি কি কাজ করেন ?
৬ । আপনাদের ট্রান্সফরমার কত KVA ?
ভোল্টেজ কত ঢুকছে কত বের হয়েছে ?
৭ । ১টি ট্রান্সফরমারে টেপ চেঞ্জিং কয়টি ?
৮। ব্রিদার কালার কি ?
৯ । টোটাল এম্পিয়ার কত ?
১০ । ট্রান্সফরমারের কি কি চেক করতে হয় ?
১১ । ট্রান্সফরমারের স্বাভাবিক টেম্পারেচার কত ? অস্বাভাবিক টেম্পারেচার কত ?
১২ । 70 KVAR একটি ক্যাপাসিটর কত এম্পিয়ার নিলে ভালো ? এবং কত এম্পিয়ার নিলে খারাপ ?
১৩ । PFl মিনিং ? PFI কেন ব্যবহার করা হয় ?
১৪ । PFI এর Power কানেকশন টা বলুন ?
১৫ । PFI এর কন্ট্রোল কানেকশন করতে পারবেন ?
১৬ । 30 KVA একটি লোডের জন্য আপনাকে ২টি 15 KVAR এর ক্যাপাসিটর ১টি ম্যাগনেটিক কন্ডাক্টর দিলাম আপনি কিভাবে কানেকশন করবেন ?
১৭ । ম্যাগনেট প্যানেলে কত ভোল্টেজ ঢুকছে কত ভোল্টেজ বের হয়েছে ? ব্যাখা করেন ? BR1 এ কি কি আছে ?
১৮ । থাইরেষ্টর কি ? থাইরেষ্টরের কয়টি পা ?
১৯ । রেজিটেন্স এর কয়টি পা ?
২০ । বেতন কত পান ?
২১ । আমাদের এখানে কত হলে আসবেন ?
