পৃষ্ঠাসমূহ

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Follow Us @soratemplates

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

অবদানকারী

রবিবার, ২২ জুলাই, ২০১৮

ডিসি voltage এ শক করার কারন

৮:৩৯ PM 0 Comments

এসি অপেক্ষা ডিসি অনেক গুরুতর। স্বাভাবিক ভাবে বলতে গেলে এসি বিদ্যুৎ প্রতি সেকেন্ডে ১০০ বার দিক পরিবর্তন করে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার সর্বোচ্চ ধনাত্মক,  ৫০ বার সর্বোচ্চ ঋণাত্মক ও ১০০ বার শুন্যে থাকে ফলে এসি শকে আমরা কম্পন অনুভব করি। কিন্তু ডিসি এর বেলায় এমন হয় না।  এটা সবসময় সর্বোচ্চ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক থাকে। যা অনেক মারাত্মক। 
একটা উদাহরণ দেই:

মনে করুন একটা টেবিল ফ্যান চলন্ত অবস্থায় এদিকওদিক ঘুরে ঘুরে বাতাস দিচ্ছে আর আপনি এক যায়গায় স্থির বসে আছেন।  তাহলে নিশ্চয় আপনি সবসময় বাতাস পাবেন না।  কিন্তু এই ফ্যানটিকে যদি আপনার দিকে স্থির করে দেন তাহলে নিশ্চয় আপনি সবসময় বাতাস পাবেন। এখানে ফ্যানের পরিবর্তনশীল অবস্থা হল এসি বিদ্যুতের ন্যায় আর অপরিবর্তনশীল হল ডিসি বিদ্যুতের ন্যায়।  এবার বুঝতে পারছেন নিশ্চয়!!!

বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই, ২০১৮

রিলের কাজ

২:৪৩ AM 0 Comments

৫ এম্পিয়ার ২৫০ ভোল্টের ইলেক্ট্রো মেগনেটিক রিলে।। এ ধরনের রিলেতে মুভিং কন্টাক্ট থাকে, যা ওপেন অবস্থায় হাই রেজিস্ট্যান্স এবং লো ভোল্টের কেরি করে এবং ক্লোজ অবস্থায় লো রেজিস্ট্যান্স হাই ভোল্টেজ।।

ট্রান্সফরমার কি

২:৪১ AM 0 Comments

ট্রান্সফরমার

ট্রান্সফরমার সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কি?

উত্তরঃ সহজ কথায় বলা যায়, এমন একটি ইলেক্ট্রনিক/ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্র যেটি ইনপুট হিসেবে ইলেক্ট্রিক পাওয়ার নিয়ে আউটপুটেও ইলেকট্রিক পাওয়ার দিবে, কিন্তু এদের মধ্যে কোন তারের সংযোগ থাকবে না।

কিন্তু, তাত্ত্বিক ভাবে বলতে গেলে বলতে হবে, ”ট্রান্সফরমার এমন একটি স্থির যন্ত্র বিশেষ যেখানে কারেন্টের সাপেক্ষে, এসি সাপ্লাই এর ভোল্টেজ বাড়ানো হয় নয়ত কমানো হয়”।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কিভাবে কাজ করে?

ট্রান্সফরমার মূলত মিউচুয়াল ইন্ডাকশনের মাধ্যমে কাজ করে। প্রাইমারী থেকে সেকেন্ডারী তে পাওয়ার ট্রান্সফার করে এই পদ্ধতি তে। এ সম্পর্কে ৮ নাম্বার পয়েন্টে বিস্তারিত লেখা হয়েছে।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ

ধরুন পাওয়ার স্টেশন থেকে আপনার বাসা অনেক দূরে। তখন আপনি যদি আপনার প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পেতে চান তাহলে সেখানে একটি স্টেপআপ ট্রান্সফরমার দিয়ে বাড়িয়ে তা দূরবর্তী স্থানে যেখানে আপনার বাসা অবস্থিত, সেখানে সঞ্চালিত করা হয়।

আবার, আপনার বাসায় এসি লাইন দিয়ে সরাসরি শখের প্রজেক্ট কিংবা সার্কিট কিংবা জরুরী ব্যবহার্য্য টিভি, ডিভিডি, টর্চ, চার্জ লাইট ইত্যাদি কে কখনই চালাতে পারবেন না। প্রথমে আপনাকে অবশ্যই মেইন লাইনের ভোল্টেজ কে কমিয়ে উক্ত সার্কিট বা যন্ত্রের উপযুক্ত করতে হবে। আর এই কাজটিই করে থাকে ট্রান্সফরমার।

নিচের চিত্রটিতে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার তুলনা মূলক উদাহরণ দেখানো হয়েছে-

প্রশ্নঃ কেন দূরবর্তী স্থানে সঞ্চালনের জন্য হাই ভোল্টেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়?

আমরা জানি যে পাওয়ার এর সূত্রানুযায়ী,

P = V × I

এখানে,

P = পাওয়ার,

V = ভোল্টেজ,

I = কারেন্ট

অর্থাৎ, ভোল্টেজ ও কারেন্টের সমন্বয়েই মোট পাওয়ার। অতএব, কারেন্টের পরিমাণ কমিয়ে ভোল্টেজ বৃদ্ধি করলেও মোট পাওয়ার প্রায়ই সমান থাকবে।

আবার, কারেন্ট প্রবাহমাত্রা নির্ভর করে ক্যাবলের পুরুত্ব বা ক্যাবল কতোটা মোটা তার উপরে। অর্থাৎ ক্যাবল মোটা হলে বেশি কারেন্ট

ম্যাগনেটিক কন্টাক্ট কি?

২:১৪ AM 1 Comments

Magnetic contactor কি?

Magnetic contactor একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক চালিত সুইচ, এটার ফাংশন অনেকটা রিলের মতই । তবে রিলে সাধারনত লো পাওয়ার ও ভোল্টেজে ব্যবহৃত হয় অন্য দিকে হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার হয়। এটাতে একটি এনারজাইজড কয়েল, আয়রন কোর, কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points), মেইন কন্ট্যাক্ট টার্মিনাল (3 contacts points) ও একটি ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকে। এটির সাথে সাধারণত একটি নিয়ন্ত্রণ সার্কিট ব্যবহার করে বৃহৎ বৈদ্যুতিক লোড (বৈদ্যুতিক মোটর) স্টার্ট/স্টপ বা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কলকারখানায় মোটর কন্ট্রোল অটোমেশনে এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।

কেন Magnetic contactor ব্যবহার করা হয়?

১। এটির মাধ্যমে একটি ছোট পুশ সুইস দিয়ে একটি বৃহৎ মোটর বা বড় বৈদ্যুতিক লোড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ ও নিরাপদ।

২। এটির সাথে কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points) থাকে, এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন সিগনাল বা স্টাটাস জানা যায়।

৩। এটির সাথে ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকায় লোডে কারেন্ট সরবরাহ কোন কারনে ওভার হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

৪। ৩ ফেজ মোটরের ক্ষেত্রে ৩-ফেজ সাপ্লাই দিতে হয়, এক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজে মোটরে ৩-ফেজ সাপ্লাই দেয়া যায়।

৫। স্টার/ডেল্টা এর ক্ষেত্রে ৩টি Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।

৬। চালু অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ হবে আবার এ অবস্থায় কারেন্ট সরবরাহ আসলেও নতুন করে স্টার্ট বাটন না প্রেস করলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ হবেনা। এতে সার্জ ভোল্টেজ থেকে ডিভাইস রক্ষা পায়।

NC ও NO contact কি?

এগুলো অক্সিলারি কন্টাক্ট। এগুলোকে ব্যবহার করে লোড কে অটোমেশন মুডে বা প্রোটেকশন এর সার্কিট তৈরি করা হয়।

NC= Normally Close নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট বন্ধ (Close) অবস্থায় থাকে।

NO= Normally Open নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট খোলা (Open) অবস্থায় থাকে।

যখন এর কয়েল এনারজাইজড হবে (বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে) তখন NC পয়েন্ট NO হবে এবং NO পয়েন্ট NC হয়ে যাবে।

অক্সিলারি কে সংযুক্ত করতে এতে অক্সিলারি ব্লোক থাকে।

Magnetic contactor এর কয়েলে কত পাওয়ার দেয়া হয়?

এটা বিভিন্ন রেঞ্জের হয়ে থাকে যেমনঃ 24VDC,24 VAC,110 VAC,240 VAC,415 VAC

Magnetic contactor এর গায়ে এটা সাধারণত উল্লেখ করা থাকে। সাধারনত কয়েলের টার্মিনাল দুটো কে A1 এবং A2 দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে।

সোমবার, ১৬ জুলাই, ২০১৮

জেনারেটরে কাজ

৩:৩১ AM 0 Comments

ইদানিং কালে নবীন প্রকৌশলীদের মধ্যে generator নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এটা ভালো দিক।
কিন্তু কেউ কেউ বলেন generator নিয়ে পোস্ট দিন, আসলে কি জেনারেটর পোস্ট করা এত সোজা ?
এটা পাওয়ার জেনারেশনের  এর power source.

জেনারেটরের অনেক গুলো ভাগ আছে , এক একটা একটি ভাগ  পোস্ট করলে পড়তে পড়তেই দুই তিন ঘন্টা চলে যাবে ।  আর লিখতে গেলে আমার সারা দিন লাগবে।

যেমন,,,,,

1. Starting system
2. Lubricating system
3. Cooling system
4. Fuel  system
5. Engine mechanical part
6, Alternator
7. Excitor / shunt generator
8. Generator controlling Electrical wiring part
9. Generator controlling module
10. Charging system etc

আপনি generator সম্বন্ধে ধারণা নিতে গেলে বা কাজ করতে গেলে আপনাকে generator সাপ্লায়ার কোম্পানিতে জব করতে হবে অথবা generator servicing কোম্পানিতে কাজ করতে হবে তা না হলে কোন ভাবেই generator সম্পর্কে জানা সম্ভব নয়।

তবে কিছু কিছু বেসিক জানা থাকলে আপনি অনায়াসেই  generator operation করতে পারবেন,,,

জেনারেটর চালু/বন্ধ করার নিয়মঃ

১। প্রথমে ইঞ্জিন রুমে ইঞ্জিন ফিজিক্যালি চেক করতে হবে (ওয়েল লিকেজ, ওয়াটার লিকেজ, ফুয়েল লাইন)।

২। গ্যাসের লাইন/ডিজেল লাইন অন করতে হবে। গ্যাসের প্রেসার চেক করতে হবে। এয়ার ফিল্টার চেক করতে হবে ।

৩। ইঞ্জিনে পানি ও লুব ওয়েল সঠিক পরিমান আছে কিনা দেখতে হবে । পানি দেখার জন্য ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর ও লুব ওয়েল দেখার জন্য ডিপ স্টিক দেখে লেভেল দেখা হয়।

৪। ব্যাটারী ভোল্টেজ ও কানেকশন টাইট কিনা দেখতে হবে।

৫। এবার কন্ট্রোল পানেলে এসে চেক করে কন্ট্রোল প্যানেলের পাওয়ার অন করতে হবে ।

৬। Engine Control Switch (ECS) দিয়ে ইঞ্জিন চালু করতে হবে। ইহা START/MAN এ রাখলে ইঞ্জিন চালু হবে (আগে দেখে নিন IDLE/RATED সুইস কোন পজিশনে আছে, এটা IDLE এ থাকবে।

৭। IDLE এ কিছুক্ষন চলবে (সাধারণত ৩-৫ মিনিট)। RPM 1000-1100 হবে (যদি Rated Speed 1500 হয়)। ইঞ্জিন ও জেনারেটর মিটারিং চেক করতে হবে। সব ঠিক থাকলে Rated Speed এ দিতে হবে । এই ভাবে আরো ২-৪ মিনিট চলতে দিতে হবে। Rated Speed এ আবার সকল মিটারিং দেখে নিতে হবে। সব ঠিক থাকলে-

৮। এবার ইঞ্জিন লোড দেবার জন্য রেডি থাকতে হবে। বাস ভোল্টেজ ও ফ্রিকুয়েন্সি এর সাথে জেনারেটরের ভোল্টেজ ও ফ্রিকুয়েন্সি সমান করতে হবে। এটা সাধারণত Auto হয়ে থাকে। Auto না হলে মানুয়ালি Adjust করে নিতে হবে।

৯। Auto বা ACB Close বা Hand ON LOAD বাটনে প্রেস করলে ইঞ্জিন লোড নিবে । এটা টাচ স্ক্রিনে বা ম্যানুয়াল সুইসে হতে পারে।

১০। ACB ক্লোজ হলে লোড বাড়াতে হবে, লোডের সুইস অন করতে হবে। প্যারালেলে অন্য ইঞ্জিন থাকলে ভাল ভাবে লোড শেয়ার করে দিতে হবে। Droop Mode এ থাকলে মানুয়ালি লোড Adjust করতে হবে, Isochronus Mode থাকলে Auto লোড শেয়ার (Rated Load সেটিং অনুযায়ী) হবে।

১১। লোড অবস্থায় আবার সকল মিটারিং চেক করতে হবে ।

১২। সকল মিটারিং লগ বইয়ে লিখতে হবে, প্রতি ঘন্টায় তা চেকে করে লগ বইয়ে লিখে সংরক্ষণ করতে হবে ।

১৩। বন্ধ করার জন্য ইঞ্জিনের লোড আস্তে আস্তে কমাতে হবে । STOP/Cooldown অপশন থাকলে এখানে প্রেস করলে ইঞ্জিনের লোড আস্তে আস্তে কমে গিয়ে ACB Open হয়ে যাবে । তারপর Rated Speed থেকে Idle Speed এ আসবে এবং Auto ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে । এভাবে Auto Mode না থাকলে এই অপশনগুলো ম্যানুয়ালি করে নিতে হবে।

১৪। ইঞ্জিন বন্ধ অবস্থায় কন্ট্রোল প্যানেলের, ব্যাটারী চার্জার ও ইঞ্জিনের ডিসি পাওয়ার অন রাখাই ভাল। গ্যাসের/ফুয়েলের লাইন বন্ধ রাখতে হবে।

১৫। কোন কিছু না বুঝে কন্ট্রোল সিস্টেমে কাজ করবেন না।

সব সময় আপনার বস এবং সিনিয়র দের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে জেনারেটরের কাজ আরম্ভ করবেন অন্যথায় উল্টাপাল্টা কাজ করে নিজের চাকরি হারাবেন না।

Engr Rafikul Islam
Electrical Engineer
(Utility, operation, repair & maintenance)
Letter n colour ltd
Khilgong - Dhaka.

রবিবার, ১৫ জুলাই, ২০১৮

electrical viba question

৭:২৫ AM 0 Comments

ইলেকট্রিক্যাল চাকরীর ইন্টার্ভিউর জন্য নিচের প্রশ্ন গূলোর উত্তর জানা থাকা ভাল।
1. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
2. পাওয়ার ফ্যাক্টর বেশী হলে ভাল না কম হলে ভাল?
3. পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্টে কেন করি?
4. ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি?
5. পিএলসি কি? কেন পিএলসি ব্যাবহার করি?
6. সার্ভো ড্রাইভ মোটর কি?
7. সার্কিট ব্রেকারে আগুন লাগলে কিভাবে নিভাবেন?
8. একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগলে আপনি প্রথমে কি করবেন?
9. সাধারণত পিটির সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কত হয়?
10. একটি সিটির রেশিও বলুন।
11. আমরা সিটি/পিটি কেন ব্যবহার করি?
12. রিলে কি? কেন ব্যবহার করি? একটি ব্যবহার খেত্র বলেন।
13. বাংলাদেশে সর্বোচ্চ জেনারেশন ভোল্টেজ কত?
14. বাংলাদেশে পাওয়ার সিস্টেমে কোথায় কত ভোল্টেজ?
15. পিজিসিবি, ইজিসিবি, ডিপিডিসি এর কাজ কি?
16. ইন্ডাকশন মোটরে স্টার/ডেল্টা চালু পদ্ধতি কেন ব্যবহার করা হয়?
17. কোন সিম্বল ছাড়া একটি অ্যামমিটার, একটি ভোল্টমিটার দেয়া হল কোনটি অ্যামমিটার/ভোল্টমিটার বাহির করতে পারবেন? কিভাবে?
18. আর্থিং ও নিউট্রাল কি?
19. কতগুলি রেজিস্টর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতে পারে মাল্টিমিটার ছাড়া এগুলির মান বের করে দেখান। কি পারবেন না?
20. মাইক্রোকন্ট্রোলার ও মাইক্রোপ্রসেসর এর মধ্যে পার্থক্য কি?
21. AVR কি? এটি কিভাবে কাজ করে সংক্ষেপে বলেন?
22. ৪ টি ১২ ভোল্ট এর ব্যাটারি দিয়ে ২৪ ভোল্ট করতে চাইলে, ডায়াগ্রাম একে দেখান।
23. ফুল চার্জে ব্যাটারির ইলেক্ট্রোলাইট এর স্পেসিফিক গ্রাভিটি কত থাকে?
24. ১ হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট?
25. সিঙ্গেল ফেজ ভোল্টেজ ২৩০ ভোল্ট হলে কেন লাইন ভোল্টেজ ৪০০ ভোল্ট হয়?
26. ট্রান্সমিশন লাইনে স্যাগের কি প্রভাব?
27. কখন একটি সার্কিটে ইম্পিড্যান্স রেজিস্ট্যান্সের সমান হবে?
28. পোলারিটি আর নন পোলারিটি ক্যাপাসিটরের মধ্যে পার্থক্য কি?
29. একটি ৩-ফেজ মোটরকে রিভার্স ঘুরাবেন কিভাবে?
30. বুখলজ রিলে কেন ব্যবহার করা হয়?
31. ডিফারেন্সিয়াল প্রটেকশন কেন ব্যবহার করা হয়? কোথায় ব্যবহার করা হয়?
32. ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট প্রটেকশনের জন্য কি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
33. কেন নিউট্রাল লাইনে শক লাগেনা?
34. তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে, সম্ভাব্য তিনটি কারন বলেন।
35. IEEE কি?
36. সেন্সর ও ট্রান্সডিউসারের মধ্যে পার্থক্য কি?
37. CFL এর পূর্ন নাম কি?
38. AWG/SWG কি?
39. সিঙ্গেল ফেজ মেটর বা ফ্যান চালু করতে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় কেন?
40. ট্রান্সফরমার এর তেলের নাম কী?
41. একটি ডেল্টা -স্টার সংযুক্ত ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারিতে পাওয়ার, প্রাইমারি থেকে কত গুন কম বা বেশি হবে?
42. ফেজ সিকুয়েন্স কি?
43. ইনভার্টার দ্বারা কি করা হয়?
44. ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয়?
45. ট্রান্সফরমার হামিং কেন হয়?
46. বাসার সকল লোড অফে থাকা সত্বেও মিটার ঘুরে। কোথায় সমস্যা হতে পারে?

রবিবার, ৮ জুলাই, ২০১৮

রিভার্স পাওয়ার রিলে

২:০১ AM 0 Comments

প্যারালাল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট
কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ
অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।

রবিবার, ১ জুলাই, ২০১৮

এসি সার্কিটে পাওয়ার ফ্যাক্টর কত?

৮:০০ PM 0 Comments

নবীন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ইন্টার্ভিউএ আপনাকে জিজ্ঞেস করতেই পারো, এসি সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% ল্যাগিং বলতে কি বোঝেন?
★★★★★★★★★★★★★★★★★★
একটি এসি সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% ল্যাগিং বলতে বুঝায় উক্ত সার্কিটের কারেন্ট ভোল্টেজের চেয়ে ৩৭ ডিগ্রি পিছনে থাকবে।

শুক্রবার, ২৯ জুন, ২০১৮

ips

৬:৪৪ AM 0 Comments

IPS এর রেটিং যে কারনে VA তে দেয়া হয়।

ধরি, একটি  IPS এর রেটিং 650VA
এখন লক্ষ করি,
VA= Voltage*Ampere
Watt=Voltage*Ampere*P.F

IPS কম্পানি তো জানেনা যে আমি কত পাওয়ার ফ্যাক্টর এ উক্ত IPS টি ব্যবহার করবো বা আমার পাওয়ার ফ্যাক্টর কত।
তাই তারা IPS এর রেটিং VA তে দিয়ে থাকেন।
ধরি,আমার পাওয়ার ফ্যাক্টর আছে 0.8
ফর্মুলা হতে, Watt=Volt*Ampere*P.F
Watt=VA*P.F
Watt=650*0.8=520
অতএব, P=520watt
উক্ত IPS টি 520 watt পর্যন্ত Load নিতে পারবে।

ভাইবা ইলেকট্রিক্যাল

৪:৩৬ AM 0 Comments

নবীন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ইন্টার্ভিউএ আপনাকে জিজ্ঞেস করতেই পারো, এসি সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% ল্যাগিং বলতে কি বোঝেন?
★★★★★★★★★★★★★★★★★★
একটি এসি সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% ল্যাগিং বলতে বুঝায় উক্ত সার্কিটের কারেন্ট ভোল্টেজের চেয়ে ৩৭ ডিগ্রি পিছনে থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন, ২০১৮

diploma book

২:৫৫ AM 0 Comments

আজও আপনদের জন্য ডিপ্লোমার কিছু বইয়ের পিডিএফ নিয়ে হাজির হলাম। দয়া করে কেউ বোকার মত মেইল এ্যাড্রেস দিবেন না। যাদের দরকার তারা নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
যেসব বই পাবেন
এসি মেশিন -২, বেসিক ওয়ার্কশপ প্রাকটিস, ইলেকট্রিক্যাল আ্যপ্লায়েন্স ২ টি।
https://drive.google.com/file/d/17o-svUVzio04VIGOvDYnHV3feXS5czMl/view?usp=drivesdk
https://drive.google.com/file/d/1ZWR4YDOIyyYkiFra75_AhRxTjsEr4Aog/view?usp=drivesdk
https://drive.google.com/file/d/1XUPM1BTP6QsAMOgKE6vbxuIkHYB2rPHq/view?usp=drivesdk
https://drive.google.com/file/d/1_ZvY4KRP-xixBB71JX2LGyoyxf2jWP1t/view?usp=drivesdk

Diploma book

২:৪৭ AM 0 Comments

আপনারা এম এম খয়বর আলী স্যারের বেসিক ইলেকট্রিক্যাল নলেজ বইটার পিডিএফ লিংক চেয়ে অনেক গ্রুপে পোস্ট করেছেন কিন্তু পিডিএফ ফাইল পাননি। আমি অনেক খুজে পিডিএফ সংগ্রহ করেছি। কপিরাইটের ভয়ে আপলোড করতে পারছি না। আপনাদের অধিক সাড়া পাওয়ায় পোস্টে লিংক দিলাম। যে যার মত ডাউনলোড করে নিবেন।
http://download1498.mediafire.com/29jfj7l196kg/53ccd69dbur4egk/Basic+Electrical+Knowledge.pdf

বুধবার, ২০ জুন, ২০১৮

ms word keyboard shortcut

১১:২৮ AM 0 Comments

MS Word Keyboard শটকার্টঃ
---------------------------------------------
-----------
1. Ctrl + A = সিলেক্ট অল। (All Select)
2. Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড। (Bold)
3. Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা। (Copy)
4. Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ
বক্স প্রদর্শন করা।
5. Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
6. Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা
প্রতিস্থাপন করা। (Find World)
7. Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
8. Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড। (Replace)
9. Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক। (Italic)
10. Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড
এলাইনমেন্ট করা। (Justify)
11. Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী
করা। (Hyperlink)
12. Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট
করা। (Left Align)
13. Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
14. Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার
জন্য। (New File)
15. Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন
ফাইল খোলার জন্য। (File Open)
16. Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট। (Print)
17. Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে
স্পেসিং করার জন্য।
18. Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট
এলাইনমেন্ট করা। (Right Align)
19. Ctrl + S = ফাইল সেভ। (Save)
20. Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার
জন্য।
21. Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।(Und
erline)
22. Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
(Paste)
23. Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য। (Close
File)
24. Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট
করার জন্য। (Cut)
25. Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য। (Redo)
26. Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায়
ফিরিয়ে আনা। (Undo)
---
restart
Ctrl+Alt+Delete
Shutdown
All+F4
Enter
® ফাংশন Key এর ব্যাবহারঃ
---------------------------------------------
------------------
F1: প্রায় সব প্রোগ্রামেরই হেল্প
স্ক্রিন খুলে যায় এই Key টিপলে।
অর্থাৎ, ধরুন আপনি কোনও একটি
প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানেন না। F1
টিপলেই সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম
সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও প্রশ্নোত্তর
সমেত একটি স্ক্রিন খুলে যাবে
আপনার ডেস্কটপে।
F2: কোনও একটি ফাইল বা
ফোল্ডারের rename দিতে গেলে,
অনেকেই মাউজের সাহায্য নেন।
শর্টকাটটা হল F2। মাউজের প্রয়োজনই
পড়বে না।
F3: কোনও একটি অ্যাপ্লিকেশনের
(সেই মুহূর্তে যে অ্যাপ্লিকেশনটি
ব্যবহার করছেন) সার্চ ফিচার খুলে যায়
এই Key টিপলে।
F4: উইন্ডো বন্ধ করার জন্য F4 দারুণ
শর্টকাট। Alt+F4 টিপলে অ্যাক্টিভ
উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে।
F5: কোনও একটি পেজ রিফ্রেশ বা
রিলোড করতে গেলে খামোখা
মাউজ নাড়াচাড়ায় সময় নষ্ট না করে
F5 টিপে দিন।
F6: এই Key টিপলে ইন্টারনেট
ব্রাউজারে কারসার সোজা চলে
যায় অ্যাডড্রেস বার-এ।
F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা কোনও
অ্যাপ্লিকেশনে কিছু লেখার পর
বানান ও ব্যাকরণগত কোনও ভুল থাকলে
ধরিয়ে দেবে F7।
F8: উইন্ডোজের বুট মেনুকে ব্যবহার
করতে পারবেন এই Key-এর মাধ্যমে।
F9: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনও
ডকুমেন্ট রিফ্রেশ করতে চাইলে ও
মাইক্রোসফট আউটলুকে ই-মেল
পাঠানো ও রিসিভের কাজ মিটে
যায় এই শর্টকাট Key-এর সাহায্যে।
F10: কোনও একটি অ্যাপ্লিকেশনে
মেনু বার আনতে গেলে বেশির ভাগ
মানুষই রাইট ক্লিক করেন মাউজে।
দরকারই পড়ে না যদি আপনি shift+F10
ব্যবহার করেন। রাইট ক্লিকেরই কাজ
করে।
F11: ইন্টারনেট ব্রাউজারে ফুলস্ক্রিন
মোডে ঢুকতে ও বেরতে কাজ করে
F11 Key।
F12: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্ট
Save as করতে গেলে মাউজের
সাহায্য না নিয়ে এই Key-এ শর্টকাটে
সেরে ফেলুন।

শুক্রবার, ৮ জুন, ২০১৮

sensor & Transducer

২:৪৪ PM 0 Comments

"Sensor" & "Transducer " দুই ভাই। দুই ভাই হলেও তাদের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে।
সেটা কি???!!!!
তার আগে একটা উপমা দিয়ে রাখি। ধরুন, মেঘাছন্ন দিন। আপনি শুয়ে শুয়ে গল্পের বই পড়ছেন। হঠাৎ আপনি জানালের বাইরে একটি কাল ছায়ামূর্তি দেখলেন। দেখে নিশ্চয় ভয় পাবেন। হুম পাব। তো???
এখন প্রশ্নটা হচ্ছে কেন ভয় পাবেন? মেডিকেল এর ভাষায় ভূতের উপস্থিতির সংকেত আপনার নিউরনে পৌছায় বলে আপনি তাতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে সাড়া দিচ্ছেন।
ভাই সেন্সর ও এরকম ই কাজ করে। সে যেকোন Physical Signal ( Heat, pressure, humidity, temperature, motion, contact) কে সেন্স করে তাকে Electrical Signal (Analog / Digital) এ রুপান্তরিত করে। তারপর measurement টা আমরা দেখতে পারি।
Example : Thermistor, Thermocouple, RTD, Pressure gauge, Humidity sensor, proximity sensor.
তাইলে Transducer টা কি? সে কি করে? সেও কি একই কাজ করে??
হুম করে আবার করেও না। মানেটা কি?
Transducer Physical energy কে Electrical Energy te convert ত করেই সে সাথে সাথে সব ধরনের শক্তিকে অন্য শক্তিতে পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু measurement প্রত্যক্ষ করা যায় না।তাই Transducer গুলো এক ধরনের সেন্সর কিন্তু সেন্সররগুলো ট্রান্সডিউসার হতে পারেনা।
Example : Microphone, Antenna
অবশেষে Sensor & Transducer এর মূল পার্থক্য দাড়াল Sensor শুধুমাত্র Physical energy কে Electrical Energy তে রুপান্তরিত করে কিন্তু ভাই Transducer এক্ষেত্রে উদার। সে সকল শক্তিকে অন্য শক্তিতে convert করে।

Motor speed

২:৩৪ PM 0 Comments

আজকে আলোচনা করব মোটরের স্লিপ নিয়ে। অনেকবার হয়ত এই শব্দটি চোখে পড়েছে, শুনা হয়েছে। কিন্তু ব্যাপারটা হয়তো এত ভালভাবে উপলব্ধি করা হয়নি। তাই আজ সুন্দর একটি উদাহরণ দিয়ে জিনিসটি ব্যাখা করব। 

আপনাকে যদি আমি প্রশ্ন করি, " ভাই, আপনার মোটর কত স্পিডে চলছে?" আপনি নিশ্চয় rpm এ synchronous speed এর একটা মান তুলে ধরবেন। কিন্তু আপনি এত sure হলেন কিভাবে যে আমি synchronous speed এর কথাই জানতে চাইছি?!
এখন অনেকে ভাবতেছেন, তাইলে মোটর এ কি আরেক ধরনের স্পিড আছে নাকি??
হুম ঠিকিই ভাবলেন মোটর এর স্পিড দুই রকম।
১) Synchronous speed
২) Rotational speed

Synchronous speed টা হচ্ছে, মোটর এ সৃষ্ট চৌম্বকক্ষেত্র যে speed নিয়ে ঘুরপাক খায়।

Rotational speed টা হচ্ছে মোটর এর রোটর তার শ্যাফট সহকারে যে স্পিড নিয়ে ঘুরতে থাকে।

এবার আসি মূল কথায়। এখন এই দুই স্পিড এ সমান তাল থাকেনা। এদিক ওদিক হয়। অর্থাৎ, রোটর মোটরের চৌম্বকক্ষেত্রের সাথে সমতালে ঘুরতে পারেনা। তাই দুই স্পিডের মাঝে একটা ব্যবধান থেকেই যায়। যেটাকে বলা হয় মোটরের স্লিপ / স্লিপ স্পিড।

একটা সুন্দর উদাহরণ দিয়ে রাখি জিনিসটা তাইলে মাথায় থাকবে। ধরুন, একটি গাধার পিঠে একটি লাঠি বাধা হল। এই লাঠির সাথে একটি গাজর এমনভাবে বাধা হল যেন গাজরটি গাধা মুখের একহাত সামনে পড়ে। তখন হবে কি? গাধাটি গাজর খাওয়ার জন্য সামনে এগিয়ে যেতে থাকবে কিন্তু গাজর টা ছুতে পর্যন্ত পারবেনা। যারা জিনিস টা অনুধাবন করতে পারেন নি তারা নিচের চিত্র দেখে বুঝার চেষ্টা করুন। এখানে গাধাকে রোটর স্পিড & গাজরকে synchronous speed এর সাথে তুলনা করা যায়।

এখন, প্রশ্ন এই স্লিপ হিসেব করব কিভাবে?
এখানে, n = rotational speed
            ns = synchronous speed

slip = ( ns - n) ÷ ns
percentage হিসেব করতে হলে 100 দিয়ে গুণ করে নিতে হবে।