পৃষ্ঠাসমূহ

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Follow Us @soratemplates

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

অবদানকারী

মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০১৯

শর্ট সার্কিট কাকে বলে

৮:৫৮ AM 2 Comments

শর্ট সার্কিট কাকে বলে?

উত্তর: একটু বিস্তারিতভাবে দেওয়া হল

💥লোড বিহীন অবস্থায় বা রেজিস্ট্যান্স বিহীন অবস্থায় যদি লাইন টু লাইন, লাইন টু নিউট্রাল, লাইন টু গ্রাউন্ড, পজেটিভ টু নেগেটিভ একে অপরের সংস্পর্শে চলে আসে তখন তাকে শর্ট সার্কিট বলে.....

💥এখানে লক্ষণীয় বিষয় রেজিস্ট্যান্সের এর মান শূন্য হওয়ায় উক্ত সার্কিটে অসীম কারেন্ট প্রবাহ হয়

💥শর্ট সার্কিট সংঘটিত হলে উক্ত সার্কিটের সবচেয়ে দুর্বল পয়েন্ট পুড়ে  যায় এজন্যই সার্কিটে ব্যবহৃত ফিউজ তার উক্ত সার্কিটে সর্বনিম্ন তারের থেকেও চিকন রাখা হয়

💥শর্ট সার্কিট এর সর্বশেষ অবস্থান উক্ত সার্কিট এর কোন একটি অংশ পুড়ে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া

💥এখন প্রশ্ন শর্ট সার্কিট হয়েছে বেশ ভালো কথা কিন্তু সার্কিট পুরেযাবে কেন???

আমরা জানি কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন প্রবাহিত হলে উক্ত পরিবাহী গরম হয়!!! লক্ষ্য করুন এখানে শর্ট-সার্কিট তখনই সংঘটিত হয় যখন রেসিসটেন্স এর মান শূন্য হয়

তাহলে একথা প্রমাণিত যে, এখানে  অসীম ইলেকট্রন প্রবাহ হবে আর আমরা এটাও জানি ইলেকট্রনের প্রবাহকে কারেন্ট বলে যার একক এম্পিয়ার বলে তাহলে বিষয়টি কি দাঁড়ালো ওভার কারেন্ট মানে ওভার টেম্পারেচার যা একটি সার্কিট কে পোড়াতে সাহায্য করে......

এখানেও আরেকটি প্রশ্ন দাঁড়ায় শর্ট সার্কিট হয়েছে বেশ ভালো কথা টেম্পারেচার বৃদ্ধি পেয়েছে এটাও মানলাম কিন্তু এখানে বা উক্ত সার্কিটে আগুন জ্বলবে কেন???

💥 আমরা জানি ফায়ার ইজ ট্রায়াঙ্গেল যেখানে আছে

🔥হিট 🔥ফুয়েল এবং🔥 অক্সিজেন

এই তিনটি যখন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এর ফলে আমরা যা কিছু দেখতে পাই তাই আগুন

তাহলে আমাদের স্বাভাবিক পরিবেশে বাতাস এবং জ্বালানি বিদ্যমান এখানে নেই শুধু পরিমিত তাপমাত্রা

কিন্তু যখনই শর্ট-সার্কিট সংঘটিত হবে তখনই উক্ত সার্কিট প্রথমে তাপমাত্রা উৎপাদন করে যা এই ট্রাইংগেল পূরণ করতে সক্ষম হয় আসলে এজন্যই কোথাও শর্ট সার্কিট সংঘটিত হলে উক্ত সার্কিটে আগুন জ্বলে

যদি উপরের লেখাগুলি সঠিক হয় তাহলে দুনিয়ার সকল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্র ভাইদের কাছে একটি রিকোয়েস্ট থাকবে আপনারা যা কিছুই করেন কোন দিন শর্ট সার্কিট ঘটাবেন না.....
মনোযোগ সহকারে কমেন্ট করার জন্য সবাইকে

ধন্যবাদ

কোন তথ্য দিতে ভুল হলে অনুগ্রহ করে সংশোধন করার সুযোগ দিবেন

সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০১৯

সাবস্টেসন কি

৪:৩৪ AM 0 Comments

উওরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেমের একটি অংশ যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহণ, সঞ্চালন, বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ।

প্রশ্নঃ ১১কেভি সাবস্টেশনের কি কি ইকুপমেন্ট থাকে?

Ø  ট্রান্সফরমার

Ø  LT সুইচগিয়ার

Ø  HT সুইচগিয়ার

Ø  PFI প্লান্ট

প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কি?

উওরঃ সুইচগিয়ার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি,যা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করে থাকে।( রিলে,সার্কিট ব্রেকার,ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ইত্যাদি)

প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার?

Ø  LT সুইচগিয়ার

Ø  HT সুইচগিয়ার

প্রশ্নঃ LT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ?

উওরঃ LT সুইচগিয়ারঃ

সাবস্টেশনের লো-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে LT সুইচগিয়ার বলে।

উওরঃ HT সুইচগিয়ারঃ

সাবস্টেশনের হাই-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে।

প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ

LT সুইচগিয়ারঃ

MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার

HT সুইচগিয়ারঃ

VCB সার্কিট ব্রেকার

প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি?

উওরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস, যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায়। তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল,যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ন কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয়,তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা।

প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাবস্টেশনে ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার, VCB সার্কিট ব্রেকার।

প্রশ্নঃ LT & HT সাইডের মেইন কাজ কি?

উওরঃ

HT সুইচগিয়ার মূলত ট্রান্সফরমার কে সাট-ডাউন করানো

LT সুইচগিয়ার মূলত লোড কে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে।

প্রশ্নঃ PFI কি?

পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে।

প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃস্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়।এই লস কে কমানোর জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয়?

উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০% হিসাবে নিতে হয়।

প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টপ সিলেকশন করতে হয়?

উওরঃ

ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০কেভি থেকে ২৫০কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১টা

ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫কেভি থেকে ২০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১টা

ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০কেভি থেকে ৪০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২টা

প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে কিভাবে লোড বের করতে হয়?

উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৮০% হিসাবে নিতে হয়।

প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে?

উওরঃ ৩৩কেভি থেকে ১১কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪কেভি (৪০০ভোল্ট) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় LT সাইড।

প্রশ্নঃ জেনারেশন,  ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারের রেটিং দেখাও?

উওরঃ

জেনারেশন পাওয়ারঃ ১১কেভি,

ট্রান্সমিশন পাওয়ারঃ ৩৩কেভি,১৩২কেভি,২৩০কেভি,৪০০কেভি,২৩০কেভি,১৩২কেভি,

ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারঃ ৩৩কেভি,১১কেভি।

প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০কেভিএ এর বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না?

উওরঃ কারন ৪০০০কেভিএ উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না। আশা করি তা আপনারা বুঝতে পেরেছেন ,আমি চেষ্টা করেছি, ভুল হলে কমেন্ট করে জানাবেন। কারন আমি নিজে এখন ও শিখি ভুল গুলো ধরে দিলে আমার জন্য খুব ভাল হবে। এবং বেশি খারাপ লাগলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।

ভাল থাকবেন। দোয়া করবেন যেন সামনে আরো ভাল ভাল বিষয় আপনাদের সামনে নিয়ে আসতে পারি।               

ইন্টারলক কাকে বলে

৩:১১ AM 0 Comments

সংক্ষেপে বললে একটি নিদৃষ্ট সময় পর পর  অভ্যন্তরীণ স্য়ংক্রিয় বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সার্কিটের কোন একটি নিদৃষ্ট অংশকে বন্ধ করে অপর একটি অংশ চালু  হয়! আর এইভাবে ক্রমাগত চালু / বন্ধ, বন্ধ /চালু হয় যে পদ্ধতিতে তাহাকেই ইন্টারলক বা রিভার্স - ফরোয়ার্ড বলে!

শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০১৯

kvar,kva,kv,kw

৯:১০ PM 0 Comments

বন্ধুরা অনেকেই অনুরোধ করেছেন  যে  KVAR,KVA, KV এবং KW সমপর্কে কিছু লিখি।কিছু টা লেখার চেস্টা করছি,ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

KVAR:Kilo Volt Amp reactite

Reactive Power  এর একক VAR।একে ১০০০ দিয়ে গুন করে KVAR করা হয়। Power Factor রেটিং  KVAR.

KVA: Kilo Volt Amp
Apparent Power এর একক VA।একে ১০০০ দিয়ে ভাগ করে KVA ধরা হয়। সাধারণত যেখানে PF এর মান জানা নেই সেখানে Power এর মান  KVA ধরা হয়। যেমন জেনারেটর,ট্রানসফরমার,IPS ইত্যাদি। সাধারণত জেনারেটর  বা ট্রানসফরমারের রেটিং  KVA ধরা হয়।

KW =Kilo Watt
Real Power কে  Watt বলে।একে ১০০০ দিয়ে ভাগ করে Killowatt পাই।সাধারণত মোটর বা হিটারের রেটিং কে KW ধরা হয়।

KV=Kilo Volt

Normal Voltage কে ১০০০ দ্বারা ভাগ করে  KV বলি।
ডিসট্রিবিউটর গ্রাহকের লাইনের রেটিং কে KVবলে।যেমন 11KV,33KV লাইন

PFI

৫:৫৪ PM 0 Comments

PFI – Power Factor Improvement | পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট ও ক্যালকুলেশন


PFI – Power Factor Improvement, (PFI bangla) পি এফ আই মানে পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট। পাওয়ার ফ্যাক্টর নিয়ে অনেকের মাঝে অনেক ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। এই লেখাটিতে পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট নিয়ে সহজভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

ল্যাগিং, লিডিং, ইউনিটি এবং পাওয়ার ফ্যাক্টর নিয়ে জানতে এই লেখাটি পড়ুন

Power factor Correction বা Power Factor Improvement বলতে আমরা সহজে বুঝি কোন একটা সিস্টেমে Reactive পাওয়ার এর পরিমান কমিয়ে Active পাওয়ার এর পরিমান বাড়ানো। আমরা সাধারনত ক্যাপাসিটর ব্যাংক বা সিংক্রোনাস মোটর বা ফেজ এডভান্সার ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর Correction ও improve করে থাকি।

ইন্ডাস্ট্রিতে Capacitor Bank ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর Correction করা হয়। আমরা centrally ক্যাপাসিটর ব্যাঙ্ক ব্যবহার না করে প্রত্যেক লোডে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করতে পারি। অথবা যে সব লোড লো পাওয়ার ফ্যাক্টর এর জন্য দায়ী সে সব লোড এর ব্যবহার কমিয়ে ও পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রুভ করতে পারি।
একটা কথা সবাই মনে রাখবেন, যদি কোন লোডে কয়েল কানেকশন থাকে তবে সেই লোড টা lagging এ চলছে। আর যদি কোন লোডে Capacitor কানেকশন থাকে তাহলে সেই লোড টা Leading তে চলছে।

যদি লোডগুলা অতিরিক্ত ল্যাগিং বা লিডিং এ চলে তাহলে কোন টাই ভাল হবে না, এতে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসবে। মেশিন এর ক্ষতি হবে। কর্ম দক্ষতা কমে যাবে। যদি লোড ইউনিটিতে হয় তাহলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসবে না আর মেশিনেরও ক্ষতি হবে না।

পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতি করার জন্য যেসকল বিষয় আগে জেনে রাখতে হবেঃ

বর্তমান পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান
লোড (KW)
সূত্র
ক্যালকুলেশন ১

ধরুন 1000 KVA লোডের একটা পাওয়ার প্ল্যান্ট এর পাওয়ার ফ্যাক্টর 0.6 এবং এটাকে 0.95 এ উন্নতি করতে হবে, তাহলে কত KVAR রেটিং এর ক্যাপাসিটি ব্যবহার করতে হবে?


উত্তরঃ

Initial পাওয়ার ফ্যাক্টর = 0.6

পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতি করতে হবে = 0.95

লোড KVA তে = 1000

আমরা জানি,

Load In KW = (KVA * বর্তমান পাওয়ার ফ্যাক্টর) KW

= ( 1000 * 0.6 ) KW

=600 KW

নিচের চার্ট থেকে প্রয়োজনীয় পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান নিয়ে লোডকে (KW) গুন করলেই কত মানের ক্যাপাসিটর (KVAR) ইউজ করতে হবে সেটা বের করা যাবে।

তাহলে চার্ট থেকে পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান 0.6 থেকে 0.95 উন্নতি করতে হলে মাল্টিপ্লাইয়িং ফ্যাক্টর দিয়ে গুণ করতে হবে। তাহলে Initial power factor 0.6 ও Proposed power factor 0.95 এ মাল্টিপ্লায়িং ফ্যাক্টর 1.005

তাহলে,

KVAR Rating of capacitor = ( Load in KW * Multiplying Factor )

= ( 600 * 1.005 )

= 603

= 603 KVAR

অর্থাৎ 603 KVAR রেটিং এর ক্যাপাসিটর লাগবে।

ক্যালকুলেশন ২ঃ

এই ক্যালকুলেশনটি বিস্তারিত করা হচ্ছে যাতে করে সহজে জটিল হিসাব করা যায়।

ধরেন, আপনি একটি ফ্যাক্টোরিতে চাকুরী করেন। আপনার বস টোটাল লোড 20,000 W, Power factor = 0.8 দিয়ে বলে দিলো কত মানের ক্যাপাসিটর দিয়ে PFI বানাতে হবে তার বিস্তারিত হিসাব দিন। এবার কি করবেন???

উত্তরঃ

প্রথমে Load কে KW থেকে  KVA তে নিবেন,

Load In KW =( 20,000/1000 )

= 20 KW

KW to KVA = KW / Power factor

= 20 / 0.8

= 25 KVA

তাহলে ইনপুট ট্রান্সফরমার হবে KVA এর 50% বেশি কেননা ভবিষ্যতের লোড বাড়ার সম্ভাবনা থেকে এটা ধরে নিতে হবে।

অর্থাৎ KVA 25 এর 50% = 25 * 50% = 12.5

তাহলে যোগ করি, 25 + 12.5 = 37.5 যেহেতু দশমিক ভ্যালু, তাই হিসাব করার সুবিধার্থে 37 নেই।

“এই 37 কেভিএ ট্রান্সফরমার আমাকে ইনপুটে বসাতে হবে”

এবার পাওয়ার ফ্যাক্টর cos(θ) বের করতে হবে।

cos(θ) = Load in KW / Input Transformer KVA

cos(θ) = 20 / 37

= 0.54

তাহলে এই পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং না লিডিং, কোনটা হবে???

ল্যাগিং হবে কারন ইন্ড্রাস্ট্রিতে বা ফ্যাক্টারিতে কয়েল কানেকশন এর লোড বেশি হয়। যেমন ৩ ফেজ মোটর।

এখন আপনাকে 0.54 এর ল্যাগিং মানকে ইউনিটি 1 এর কাছাকাছি নিতে হবে। একারনে স্ট্যাটিক ক্যাপাসিটর সংযোগ করতে হবে।

এবার তো ক্যাপাসিটরের মান জানা লাগবে?? আমরা জানি, Ic = V * 2 π fc

তাহলে এই সুত্র ধরেই সামনে এগোই, কেমন 🙂

এখানে যা মান জানা থাকবে,

ইনপুট ভোল্টেজ = 400 v

Power, P = 20,000 W

ফ্রিকুয়েন্সি = 50 Hz

পাওয়ার ফ্যাক্টর, cos(θ1) = 0.54 lagging

আমরা জানি,

P = √3 * V * I * cos(θ1)

তাহলে I = P / √3 * V  * cos(θ1)

I = 20,000 / 1.73 * 400 * 0.54

I = 53.45 Amp

এবার পাওয়ার,

P = √3 * 400 * 53.45 * 0.54

P = 19996.97 W বা  20 KW

এখন cos(θ1) = 0.54

বা, (θ) = Cos ^-1 (0.54)

(θ) = 57.31

কিন্তু পাওয়ার ফ্যাক্টরের আদর্শ মান 0.95, তাহলে আমাকে এই মানে নিতে হবে মানে Power factor improve করতে হবে। তাহলে ক্যালকুলেশন করতে হবে।

cos(θ2) = 0.95

বা, (θ2) = cos^-1 (0.95)

(θ2) = 18.19

এখন KVAR সূত্র = KW ( tanθ1 – tanθ2 )

KVAR = 20 ( tan 57.31 – tan 18.19 )

KVAR = 24.4 KVAR

সূত্র, Ic = KVAR / V

Ic = 24.4 * 1000 / 400

Ic = 61 Amp

এখন, Ic = V * 2 *π * f * C

বা, C = Ic / V * 2 * π * f

C = 61 / V * 2 * π * 50

C = 4.854 * 10^-4 Farad

কিন্তু এখানে মাইক্রোফ্যারাড দিয়ে প্রকাশ করতে হবে। ১ মাইক্রোফ্যারাড = ১০^-৬ ফ্যারাড

তাহলে 4.854 * 10^-4 Farad = 485.4 micro farad মানের ক্যাপাসিটর প্যারালালে সংযোগ করতে হবে।  পি এফ আই এ সব সময় ক্যাপাসিটর প্যারালাল এ সংযোগ করতে হয়। একবারে এই 485 মানের ক্যাপাসিটর ১ টা দিয়ে পি এফ আই বানানো যাবে না। সেক্ষেত্রে ৩ টা 100 আর ১ টা 85 এই মোট ৪ টা ক্যাপাসিটর প্যারালাল এ সংযোগ দিয়ে পিএফ আই বানাতে হবে।

বিঃ দ্রঃ কারেকশন ফ্যাক্টর না জানা থাকলেও ১ নম্বর ম্যাথটি ২য় নম্বরের (হলুদ অংশ মার্ক করা) সূত্রের সাহয্যে Power factor Improvement বা calculation করা যাবে।

আরো কিছু ম্যাথ দেখুনঃ

১। Power Factor Improvement

Power Factor Improvement

২। Power Factor Improvement

Power Factor Improvement
#collected

power motor coil পুরে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে

৯:৫১ AM 0 Comments

আমি একটি প্রশ্ন করেছিলাম বেশি power  Motor এর coil পুরে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য Star Delta করা কিন্তু DOL কেন করা হয় ?

অনেকেই সঠিক উত্তর দিয়েছেন।

আমরা জানি,
Motor একটি নির্দিষ্ট Power cross করলেই star Delta করতে হয় আর Power কম হলে DOL করতে হয়। আমি আমার প্রতিষ্ঠানে দেখেছি 8 kw motor DOL এ চলতে। এখানে আমি এই বিতর্কে যেতে চাই না।

এখন মূল আলোচনায় আসা যাক, DOL শুধু small Power এর জন্য করা হয় না,,,,,,,,,,
আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে,,,,,

DOL connection করার মূল আরো কারণ হলো যদি motor running অবস্থায় power চলে যায় এবং কিছুক্ষণ পরে আবার Power চলে আসে তাহলে আপনার Motor টি আপনা আপনি আর running হবে না। যতক্ষণ না আপনি পুনরায় motor চালু করবেন।

যার ফলে অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনা থেকে ও আপনার motor টি রক্ষা পাবে।

এটা আমাদের ঘরের বাতি বা ফ্যান নয় যে Power চলে যাওয়ার সাথে সাথে ON OFF করার প্রয়োজন আছে।

এটি একটি motor এখানে অনেক Power এর খেলা মেলা এবং Motor এর সাথে আনুষাঙ্গিক অনেক ঘুর্নিওমান যন্ত্রপাতি সংপৃক্ত তাই অবশ্যই Power চলে যাওয়ার পর মোটর বন্ধ হয়ে যেতে হবে ।

আর এই মেকানিজম টি করে MC Latching system.

তা না হলে কিন্তু Motor এর মধ্যে একটি  MCB লাগালে চলতো। কিয়ামত পর্যন্ত অন অফ করার জন্য।

আমি আমার মতো করে দিলাম ।
সিনিয়ররা আপনাদের মত আপনার বুঝে নিবেন।

Engr Rafikul Islam
Bsc - in-
Electrical & Electronic Engineering.

Admin
EEE power bridge FB group.

বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৯

Motor কে পুরে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য Star Delta করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো DOL কেন করা হয় ?

১০:৫৮ PM 0 Comments

৫ কিলোওয়াটের উপরের মোটরের জন্য স্টার ডেলটা ব্যবহার করা হয়। আর ৫ কিলোওয়াটের কম মোটরের জন্য ডল (DOL=Direct On Line)  সার্কিট ব্যবহার করা হয়।  ৫ কিলোওয়াটের চেয়ে বড় মোটর দিয়ে সাধারনত ভারী কাজ করা হয় তাই এর ফুল পারফরমেন্স পাওয়ার জন্য ডেল্টা কানেকশন করা হয়। ডেল্টা কানেকশনে যেহেতু কারেন্ট বেশি নেয় সেজন্য মোটরের স্টার্টিং এর সময় যেন কয়েল পুড়ে না যায় তাই স্টার কানেকশন করা হয়। পরে মোটর রানিং হয়ে গেলে ডেল্টা কানেকশন করা হয়।
অপরদিকে ৫ কিলোওয়াটের নিচের মোটরগুলো দিয়ে সাধারণত ভারী কাজ করা হয় না। যার কারনে মোটর স্টার্টিং এর সময় কয়েল পুড়ে যাওয়ারও আশংকা কম থাকে। তাই ডল কানেকশন করা হয়।

মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০১৯

PFI

৫:১৬ PM 0 Comments

পাওয়ার ফ্যাকটর উন্নয়নের জন্য ক্যাপাসিটর কানেকশন ডেলটায় বেশী করা হয় কারনঃ
১। ডেল্টা কানেকশন লাইন ভোল্টেজ এবং ফেজ ভোল্টেজ সমান থাকে।

২। প্রতি ফেজে ডেল্টা ব্যাংকিং এর ক্যাপাসিটরের মান স্টার ব্যাংকিং এ ১÷৩ গুন হয়।

মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০১৯

ডাইং মেশিন

৭:২৭ AM 0 Comments


Machine এর Practicall কিছু Problem
1. একটি Stenter m/c এ কোন signal নাই but Running হচ্ছেনা problem কি?

উত্তর: Stenter মেশিনের মেইন অংশ হচ্ছে মেশিনের চেইন, চেইনের মটর কি দিয়ে ড্রাইপ করা তা দেখতে হবে, তার আগে নরমালি on সুইচ চেক করে নেয়া ভালো।

2. Dyeing m/c winch কিছুক্ষণ পরপর off হচ্ছে এবং কিছুক্ষণ পরপর running হচ্ছে problem কি?

উত্তর: মেশিন on ও off বাটনের NO,NC তে সমস্যা।

3. হঠাৎ m/c এর একটি Temperature down হয়ে গেলে কি করা হয়?
উত্তর: PT 100 এ সমস্যা।

4. Machine এর belt side হয়ে যাওয়ার কারণ কি?

উত্তর:হাইড্রোলিক কাজ করছে না, সলিনয়েড কাজ করছেনা।

5.Winch motor কখন Running হয়?

উত্তর: মেইন পাম্প রানিং নেওয়ার পর।এর সাথে প্লেটার মটর চালো হয়।

লিখা বা কোন উত্তর ভুল হলে ক্ষমা করবেন ও সঠিক উত্তর কমেন্ট করবেন দয়া করে।

ভাইবা প্রশ্ন

৫:২০ AM 0 Comments

Company name : Nasir Glass & ceramics
post: Maintenance engineer
5/03/19

Vaiba ১ ম পর্ব ৩ জন vaiba board  a question kortasy...

১.আপনার সম্পর্কে কিছু বলেন?
২.  আগের  জবটা কেন ছারছেন?
আর এই জবটাও তো ছাড়তে পারেন??
৩. close lup ki??
৪.  ওহমের সুত্র কি?
৫.transfomar ki?
6. Power factor ki?
7. Am & fm full meaning &  kothai use kora hoy..???
8.motor ki??  STAR delta kno shonjog kora hoy???
9.frequency ki??
10. আরও কয়েকটি প্রশ্ন করছে 
তারপর বলে আপনি waiting room বসেন  30 মিনিট পারে আবার ডাকলো 

২ য় পর্ব  new 3 parson

1.lunch করছেন?
2. Plc ki?  এর সিগনাল কয়টি? 
২. আপনার ডিপার্টমেন্টের কয়েকটি মেজর সাবজেক্টের নাম বলুন?
3. microcontroller ki?
4.Digital signal r analog সিগ্নাল?
পার্থক্য কি?
6, controlling ki??
7. এ রকমের আরো প্রশ্ন করেছিল,,
,,
আমি মোটামুটি ৬৫% ans করছি
সবশেষে বলা হলো আপনি আরো ভালো প্রিপারেশন নিন  then আসুন...

শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০১৯

এটি একটি PLC module, এখন প্রশ্ন হলো এই PLC এর connector এ কেন Capacitor লাগানো,,,,,,?¿

৫:৩৯ AM 0 Comments

1,Am 8 card হলো পাম্প speed control করে।  আর এ card এ মিলি ভোল্ট ব্যবহার করা হয়েছে।  capacitor use  ব্যবহার করা current কে কমানোর জন্য।

2,ছবি দেখে বুঝা যাচ্ছে এটি একটি এনালগ মডিউল। এনালগ মডিউলের ইনপুট ও আউটপুট হচ্ছে 0-10vdc অথবা 04-20ma. আমার মনে হয়, এখানে যেহেতু কারেন্ট ভোল্টেজের সূক্ষ্ম হিসাব তাই পালসেটিং এসি যেন কোন ঝামেলা করতে না পারে তাই ফিল্টারিংয়ের জন্য ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়েছে।

বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

শর্টকাট ভাইরাস থেকে স্থায়ী মুক্তির সহজ উপায় ?

৭:০৬ AM 0 Comments
১. নোটপ্যাড ওপেন করুন। ২. নিচের কোডটি হুবহু কপি-পেস্ট করুন @echo off attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.* attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.* attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.* @echo complete. ৩. এবার Name_Drive এর জায়গায় ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভের নাম লিখুন। যদি তিনটির বেশি ড্রাইভ আক্রান্ত হয় তাহলে কমান্ডটি শুধু কপি-পেস্ট করলেই চলবে। ৪. removevirus.bat এই নাম দিয়ে ফাইলটি সেভ করুন। ৫. এবার ফাইলটি বন্ধ করে ডাবল ক্লিক করে রান করুন। ৬. এবার দেখবেন আপনার শর্টকাট ভাইরাস ফাইল-ফোল্ডারগুলো সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এখন সব ডিলিট করে দিন। এছাড়া নিচের কৌশলও নিতে পারেন: আক্রান্ত পেনড্রাইভ থেকে বাঁচতে ১. RUN এ যান। ২. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন। ৩. Stop script after specified number of seconds: এ — দিয়ে APPLY করুন। এবার কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না। আক্রান্ত কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করতে ১. কী বোর্ডের CTRL+SHIFT+ESC চাপুন। ২. PROCESS ট্যাবে যান। ৩. এখানে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করুন। ৪. End Process এ ক্লিক করুন। ৫. এবার আপনার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে যান। ৬. সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ করুন। ৭. wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE দিন। ৮. যেই ফাইলগুলো ডিলিট হচ্ছে না ওইগুলো স্কিপ করে দিন। ৯. এখন RUN এ যান। ১০. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন। ১১. Stop script after specified number of seconds: এ — দিয়ে APPLY করুন। ব্যাস, আপনার কম্পিউটার শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত। এবার পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাসও আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।

মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

তারের মিনিং

৪:৪২ PM 0 Comments

Code No Meaning:

NYA বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত সিঙ্গেল কোর ক্যাবল।

NYIFY বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত সিঙ্গেল এবং পিভিসি শীথেডযুক্ত চেপ্টা ক্যাবল।

NYMT বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত এবং পিভিসি শীথেডযুক্ত ক্যাবল যার মধ্যে স্টীল তারের সাপটিং থাকে।

NYY বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত এবং পিভিসি শীথেডযুক্ত ক্যাবল ।

BYA বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত এবং নন শীথেডযুক্ত সিঙ্গেল কোর ক্যাবল।

BYFY বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত এবং পিভিসি শীথেডযুক্ত চেপ্টা ক্যাবল।

IYAL বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত নন শীথেড সিঙ্গেল কোর ক্যাবল।

IYYL বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত এবং পিভিসি সিঙ্গেল কোর ক্যাবল।

IYFL বলতে বুঝায় পিভিসি ইন্সুলেশনযুক্ত এবং পিভিসি শীথেডযুক্ত চেপ্টা ক্যাবল।

শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আবেশ মোটর কাকে বলে

৪:২৭ PM 0 Comments

আবেশ মোটর কাকে বলে ?

আবেশ মোটর বা ইনডাকশন মোটর : পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ দ্বারা চালিত এক প্রকার বৈদ্যুতিক মোটর। এই মোটরের রোটরে তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ করা হয় বলে এর নাম আবেশ মোটর দেয়া হয়েছে। এর কোন ব্রাশ নেই এবং এটি বেশ শক্তিশালী মোটর বলে শিল্প-কারখানায় আবেশ মোটরের, বিশেষ করে পলিফেজ আবেশ মোটরের, বহুল ব্যবহার রয়েছে। পরিবর্তী কম্পাঙ্ক চালকের (variable frequency drive) সাহায্যে আবেশ মোটরের গতি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

RPM কী?

৪:২১ PM 0 Comments

RPM কী?
What is RPM?

আমরা অনেকেই ভূল করে মেশিনের Speed কে  RPM বলে থাকি।
আসলে Speed আর RPM কি এক জিনিস?

কখনোই না।
RPM এর Full meaning হচ্ছে Revolution per minute.
অর্থাৎ প্রতি মিনিটে কোন বস্তুর  ঘুর্ণন সংখ্যা।
শুধু  সুইডিং, পিচ ফিনিশ  এবং ব্রাশ মেশিনের ড্রামের, হাইড্রো এক্সট্রাকটর  RPM হিসাব করা হয়।

অপর দিকে,
কোন বস্তু একক সময়ে যে দুরত্ব অতিক্রম করে তাকে দ্রুতি বা Speed বলে।
দ্রুতির একক  ms-1

কিন্তু টেক্সটাইলের মেশিন গুলোতে এক মিনিটে অতিক্রান্ত দুরত্ব কে মিটারে প্রকাশ করা হয়।
যেমন  m/min.

মেশিনের Main drive Speed 30 m/min থাকলে ১ মিনিটে ৩০ মিটার কাপড় অতিক্রম করবে।
আবার গাড়ীতে ১ ঘন্টার অতিক্রান্ত দুরত্বকে কিলোমিটারে প্রকাশ করা হয়।
যেমন km/hr.

অর্থাৎ Speed এর ক্ষেত্রে সময়  Fixed দুরত্ব Available.

মোটকথা
RPM নির্ভর করে যে সব মেশিন এর মেইন ফাংশন টা নির্ভর করে রোলার এর রেভুলোশন এর উপর (ব্রাশ, সুইডিং,পিচ, হাইড্রো এক্সট্রাক্টর, উইন্স রোলার ) আর মেশিন স্পিড নির্ভর করে ফিডিং এবং টেকয়াপ রোলার এর চেইন এর স্পিড এর উপর  ( স্টেনটার, কম্পেক্টিং ,ড্রায়ার)

মটর কয় ধরনের সাপ্লাই দেয়

৫:১৪ AM 0 Comments

একটি মোটর দুই ধরনের সাপ্লাই ভোল্টেজ দিয়ে চলে
=সিনক্রোনাস মোটর।
১। স্টেটর -এসি
২। রোটর -ডিসি

সিনক্রোনাস মোটরের ঘুর্নন সৃষ্টি হয়
= স্টেটর এবং রোটর টর্কের আন্তঃ ক্রিয়ার ফলে।

অপেন ডেল্টা পদ্ধতির অপর নাম
=ভি-ভি পদ্ধতি।

সব সময় লোড সমান থাকে
=পাওয়ার ট্রানসফরমারে।

রোটর পোল স্টেটর পোল সমান থাকে
=সিনক্রোনাস মোটরে।

মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

কম্পিউটারে সরকাট্ট কী

৮:৫৬ AM 0 Comments

Computer shortcut key

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সকল কিবোর্ড শর্টকাট
Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
Alt+0131= ƒ (টাকা)
Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
F1 key ( সাহায্য পাওয়ার জন্য
F2 key (রিনেম বা পুনর্নাম নির্ধারন)
F3 key (সার্চ )
F4 key ( ঠিকানা বা এড্রেস বার দেখা )
F4 key (সক্রিয় তালিকা থেকে আইটেমগুলো দেখা )
F5 key ( রিফ্রেস/ বিদ্যমান উইন্ডো আপডেট করা)
F6 key ( ডেস্কটপ বা বিদ্যমান উইন্ডোর আইটেমগুলোতে ঘুরাফিরা করা)
F10 key (সক্রিয় প্রোগ্রামের মেনু বার সক্রিয় করার জন্য ) Computer key Shortcut-
CTRL+A (একই উন্ডোর সবকিছু একসাথে বাছাই বা সিলেক্ট করার জন্য)
CTRL+C (কপি করুন)
CTRL+X (কাট করুন)
CTRL+V ( পেস্ট করুন )
CTRL+Z (আগের অবস্থায় ফিরে যান)
CTRL+SHIFT (শর্টকাট তৈরি করা)
CTRL+RIGHT ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের শব্দে নেয়া)
CTRL+LEFT ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের শব্দে নেয়া)
CTRL+DOWN ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের অনুচ্ছেদে নেয়া)
CTRL+UP ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের অনুচ্ছেদের প্রথমে নেয়া)
CTRL+TAB (বিদ্যমান ট্যাবগুলো নড়াচড়া করা)
CTRL+ESC (স্টার্ট মেনুতে ফিরে যাওয়া )
CTRL+SHIFT+TAB (ট্যাবগুলোতে ঘুরাফিরা করার জন্য)
CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (টেক্সটকে হাইলাইট করা)
SHIFT+TAB ( অপশনগুলোর পেছনে যাওয়া)
SHIFT with any of the arrow keys ( একই উইন্ডোতে একসাথে অনেকগুলো আইটেমকে বাছাই বা সিলেক্ট করা)
SHIFT+DELETE (বাছাইকৃত উপাদানগুলো permanently মুছে ফেলা)
SHIFT+F10 ( বাছাইকৃত আইটেমগুলোর জন্য শর্টকাট মেনু দেখা
ALT+ENTER ( বাছাইকৃত আইটেম এরপ্রোপার্টিজ দেখা )
ALT+F4 ( চলমান কোন প্রোগ্রাম বা বিদ্যমান উইন্ডো বন্ধ করা )
Mission Iba Mba DUপেইজের সৌজন্যে
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর শর্টকাট ওপেন করা )
ALT+TAB ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে মুভ করা )
ALT+ESC ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে ঘুরাফিরা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর জন্য সিস্টেম মেনু )
ALT+Underlined letter in a menu name ( সংশ্লিষ্ট মেনু দেখা )
Dialog Box (কীবোর্ড শর্টকাট)
BACKSPACE ( আগের মেনুতে ফিরে যাওয়া)
ESC ( সম্প্রতিক কাজ শেষ করা )
Accessibility Keyboard Shortcuts
HOME (সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
END ( সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
Windows Logo +U (ইউটিলিটি ম্যানাজার অন করা )
SHIFT five times (স্টিকি কী অন বা অফ করা )
Right SHIFT for eight seconds ( ফিল্টার কী অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (হাই কন্ট্রাসট অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK ( মাউস কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK for five seconds (টুগল কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK+Asterisk sign (*) (নির্বাচিত ফোল্ডারের মধ্যের সব সাব-ফোল্ডার দেখা )
NUM LOCK+Plus sign (+) (নির্বাচিত ফোল্ডারের সকল কন্টেন্ট দেখা )
NUM LOCK+Minus sign (-) (নির্বাচিত ফোল্ডারটি minimize করা
Mission Iba Mba DU
পেইজের সৌজন্যে, একবার ঘুরে আসুন ভাল লাগলে পেইজটি দেখতে পারেন, THANKS
উইন্ডোজ ১০’র কিবোর্ড শর্টকাট

Windows key + A : অ্যাকশন সেন্টার খুলবে।
Windows key + C : করটানা কণ্ঠ নির্দেশনার জন্য তৈরি হবে।
Windows key + I : সেটিংস অ্যাপ্লিকেশন খুলবে।
Windows key + S: করটানা চালু হবে।
Windows key + Tab টাস্ক ভিউ দেখা যাবে।
Windows key + Ctrl + D :নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরি হবে।
Windows key + Ctrl + F4 :চালু থাকা ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বন্ধ হবে।
Windows key + Ctrl + left or right arrow : ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বদলাবে।
সাধারণ শর্টকাট
Windows key (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : স্টার্টমেন্যু খুলবে/বন্ধ হবে।
Windows key + X (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : স্টার্ট বোতামে ডান কিক করলে যে মেন্যু আসে, তা দেখা যাবে।
Windows key + left or right arrow (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর ডানে-বাঁয়ের পর্দাজুড়ে দেখা যাবে।
Windows key + E (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : দ্রুত ফাইল এক্সপ্লোরার চালু করে ফাইলপত্রের কাজ করা যাবে।
Windows key + L (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : ডেস্কটপ লক করা যাবে।
Alt + PrtScn (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে, কিপবোর্ডে কপি করা যাবে। Windosw key + Print Screen (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : ডেস্কটপের পুরো পর্দার ছবি (স্ক্রিনশট) নেওয়া যাবে। এ গুলো জমা হবে Computer Picture screen shots folder
#shovo