পৃষ্ঠাসমূহ

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Follow Us @soratemplates

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

অবদানকারী

মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯

টাইমার কি ভাবে কাজ করে?

৫:৩৩ PM 0 Comments

টাইমার (Timer) কি। টাইমার কিভাবে কাজ করে____

টাইমার এক প্রকার রিলে। তবে এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে ইচ্ছেমতো সময় নির্ধারণ করে দেওয়া যায়।<
অন্যান্য রিলের মত এতেও রয়েছে নরমালি ওপেন (NO) এবং নরমালি ক্লোজ (NC) কন্টাক্ট। তবে সাধারণ রিলের সাথে এর পার্থক্য হলো- সাধারণ রিলের কয়েলে সাপ্লাই দেয়ার সাথে সাথেই রিলের অবস্থার পরিবর্তন ঘটে, অপরদিকে টাইমারের কয়েলে সাপ্লাই দেয়ার পর নির্ধারণ করে দেয়া সময় শেষ হলে এর অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।

অর্থাৎ টাইমারের কয়েলে সাপ্লাই দেয়ার সাথে সাথে টাইমার সময় গণনা করতে শুরু করে, নির্ধারণ করে দেয়া সময় শেষ হলে এর নরমালি ওপেন (NO) কন্টাক্টগুলো ক্লোজ হয় এবং নরমালি ক্লোজ (NC) কন্টাক্টগুলো ওপেন হয়ে যায়। এভাবে এটি নির্ধারিত সময় পরে কোন লোডকে চালু অথবা বন্ধ করে দেয়।
টাইমার সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা সহ বিভিন্ন এককে পাওয়া যায়।

সোমবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৯

ট্রান্সফরমার বিষয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

৭:৩৬ AM 0 Comments

প্রশ্ন–১. ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ
রেগুলেশন কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের নো-লোড হতে ফুল
লোড ভোল্টেজের পার্থক্যকে ফুল লোড
ভোল্টেজ দ্বারা ভাগ করে একে শতকরা
হিসাবে প্রকাশ করাকেই ভোল্টেজ
রেগুলেশন বলে।
ভোল্টেজ রেগুলেশন, %VR = V – V /V x
100
ভোল্টেজ রেগুলেশন এর মান যত কম হয় ততই
ভালো। ভোল্টেজ রেগুলেশন লোডের ধরনের
উপর নির্ভরশীল, যেমন- রেজিস্টিভ লোড
(হিটার, ইলেক্ট্রিক আয়রন, ল্যাম্প – ইউনিটি
পাওয়ার ফ্যাক্টর)
ইন্ডাকটিভ লোড ( ইন্ডাকশন মোটর, চোক
কয়েল, ট্রান্সফরমার – ল্যাগিং পাওয়ার
ফ্যাক্টর)
ক্যাপাসিটিভ লোড ( ক্যাপাসিটর,
সিনক্রোনাস কন্ডেনসার – লিডিং পাওয়ার
ফ্যাক্টর)

প্রশ্ন–২. ট্রান্সফরমারে কোন ধরনের
লোডে ভোল্টেজ রেগুলেশনের মান
নেগেটিভ হয় এবং কেন?
উত্তরঃ ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে
ভোল্টেজ রেগুলেশনের মান নেগেটিভ হয়।
কারন এক্ষেত্রে কারেন্ট ভোল্টেজের ৯০
আগে থাকে।

প্রশ্ন–৩. ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারের
প্রাইমারিতে ডেল্টা ও সেকেন্ডারিতে
স্টার সংযোগ থাকে কেন?
উত্তরঃ প্রাইমারি হাই সাইড থেকে
সেকেন্ডারি লো সাইডে গ্রাহকদের সরবরাহ
দেয়া হয়। এক্ষেত্রে ডেল্টা/স্টার সংযোগ
উপযোগী কারন, তিন ফেজ চার তার ব্যবস্থা
একমাত্র স্টার সংযোগে পাওয়া যায়। তাহলে
গ্রাহকদের প্রয়োজনে তিন ফেজ ও সিঙ্গেল
ফেজ উভয় সরবরাহ দেয়া যাবে।

প্রশ্ন–৪. ট্রান্সফরমারের দক্ষতা কাকে
বলে? সর্বোচ্চ দক্ষতার শর্ত কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আউটপুট ও ইনপুট
পাওয়ারের অনুপাতকেই দক্ষতা বলে। কোন
ঘূর্ণন অংশ না থাকায় অন্যান্য সকল
ইলেকট্রিক্যাল মেশিনের চেয়ে
ট্রান্সফরমারের দক্ষতা অনেক বেশি প্রায়
৯৫% থেকে ৯৯% পর্যন্ত।
কোর লস = কপার লস হলে সরবচ্চ দক্ষতা হয়।

প্রশ্ন–৫. ট্রান্সফরমারে অয়েল (তৈল) এর
কাজ কি? অয়েল এর ফ্লাশ পয়েন্ট ও
ফায়ার পয়েন্ট বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারকে ঠাণ্ডা রাখা ও
ইন্সুলেশন হিসাবে কাজ করে ট্রান্সফরমার
অয়েল।
যে তাপমাত্রায় তৈলের বাস্পে আগুন ধরে
যায় তাকে ফ্লাশ পয়েন্ট (এই তাপমাত্রা
১৬০ C এর নিচে হওয়া ঠিক নয়) আর যে
তাপমাত্রায় ট্রান্সফরমারের তৈলে আগুন
ধরে যায় তাকে ফায়ার পয়েন্ট (এই
তাপমাত্রা ২০০ C এর নিচে হওয়া ঠিক নয়)
বলে।

প্রশ্ন–৬. ট্রান্সফরমারের স্লাজিং কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের তৈল বাতাসের
সংস্পর্শে এসে এলে অক্সিজেনের সাথে
বিক্রিয়া করে তেলের অনু ভেঙ্গে গাঁদ বা
তলানি সৃষ্টি হয়, একে ট্রান্সফরমারের
স্লাজিং বলে।

সোমবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৯

ভাইবা প্রশ্ন (সকল ডিপার্টমেন্ট)

৬:৫৪ AM 0 Comments

যদি আপনাকে  ভাইবাতে প্রশ্ন করা হয়,
যে
♥আপনি আগের চাকরি কেনো ছেড়েদিবেন, কোন সমস্যা!
♥এখাকে চাকরি কেন করবেন।
♥ আমরা আপনাকে কেন নিব।
♥ আপনার কাছ হতে আমরা কি আসা করতে পারি।

১। কোন সমস্যা নেই তবে অভিজ্ঞতা কে আরো বৃদ্ধি করতে চাই।
২। নিজের অভিজ্ঞতা বাস্তবে কাজে লাগার জন্য।
৩। শূন্য পদ পূরন করার জন্য।
৪। যত অভিজ্ঞতা আছে তা কোম্পানির  সংশ্লিট কাজে শতভাগ দেওয়ার প্রাণপন চেস্টা করবো।
অন্য ভাবে ও বলা যায়।

আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে সেখানে কাজ করেছি এবং অনেক বিষয় জানতেও পেরেছি।আমি মনে করি এখানে আসলে আরও বেশি কিছু শিখতে পারবো এবং জানতে পারবো যা আমাকে আরও সামনে এগিয়ে যেতে সাহয্য করবে।

৩.আমি একজন ইন্জিনিয়ার, আমি আমার সব টুকু দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবো আর আপনাদের এখানে একজন ইন্জিনিয়ার প্রয়োজন। আমি মনে করি আমার শিক্ষা জীবন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্তু যা কিছু শিখতে পেরেছি তার সব টুকু দিয়ে এই প্রতিষ্ঠান কে এগিয়ে নিতে পারবো

1. Ager cakritay challenges nei ek e rokom kaj,subject related noy.

2.apnader ekhane amr subject er related job tai ami onk agroho niye ei jobti korte cai.

3.apnader factorite je sokol machin royeche ami sei sobgualr machanical O electrical kaj 2ta e val kore bijhi tai amk sujog diye dekhte paren.

4. Daettor proti gurotto asa korben insallah, ami sob kaj gurutto O somoymoto korbo

শনিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৯

MCCB এবং VCB তে আছে

২:৩৪ AM 0 Comments

ICU=Ultimate breaking capacity.

ICS=Servicing breaking capacity.

ICM=Short Circuit marking capacity.

ICW= Short circuit with stand current.

IEC=International Electro-technical Commission.

Ue=Rated Operation Voltage.

Ui=Interger Unit

US=Rated Control Supply Voltage

শুক্রবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৯

ক্যাপাসিটর বনাম ড্রাই সেল

৪:৫৬ PM 0 Comments

ক্যাপাসিটর এর কাজ কি প্রশ্নটি করা হলে সবাই বলবে চার্জ সঞ্চয় করে রাখা। এখন আমার প্রশ্ন যদি ইহা চার্জ সঞ্চয় করে তাহলে আমি কি ইহাকে ব্যাটারীর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারব? যদি না পারি তাইলে কেন পারা যাবে না?

আমরা সবাই জানি ব্যাটারি (ড্রাই সেল) হল ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সেল। এখানে মূলত ক্যামিকাল রিয়েকশন এর দরুণ পটেলশিয়াল এনার্জি বা বিভব শক্তি উৎপন্ন হয়। তাই ইহার ডিসচার্জিং টাইম অনেক বেশি। তাই লোডকে বেশি সময় ধরে পাওয়ার সঞ্চালন করতে পারে।

কিন্তু ক্যাপাসিটর এ পটেলশিয়াল এনার্জি বা ভোল্টেজ তৈরি হয় ডাইইলেক্ট্রিক ফিল্ড তৈরি হওয়ার মাধ্যমে। আর ডিসচার্জিং টাইম (RC) ও অনেক কম। তাই এর মাধ্যমে লোড পরিচালনা সম্ভবপর নয়।

শনিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

vfd কে ইনভার্টার বলে

৯:৪৪ PM 0 Comments

# কনভার্টার কাকে বলে?
যে ডিভাইস দিয়ে বৈদ্যুতিক কারেন্ট বা সিগনাল কে পরিবর্তন করে, বিশেষ করে এসি থেকে ডিসি বা ডিসি থেকে এসি। অথবা এনালগ থেকে ডিজিটাল বা ডিজিটাল থেকে এনালগ ইত্যাদি কাজ করে তাহাকে কনভার্টার বলা হয়।

সাধারনত ইলেকট্রিক্যালি কনভর্টার দুই প্রকার, যেমন: #১ ইনভার্টার #২ রেকটিফায়ার।

# ইনভার্টার কাকে বলে?
যে ডিভাইস দ্বারা DC থেকে AC তে রূপান্তরিত করা হয় তহাকে ইনভার্টার বলে।

# রেকটিফায়ার কাকে বলে?
যে ডিভাইস দ্বারা AC থেকে DC তে রূপান্তরিত করা হয় তাহাকে রেকটিফায়ার বলে।

সুতরাং
DC To AC= ইনভার্টার
AC To DC = রেকটিফায়ার

MD. Zahidur Rahman
Engr AK Azad

VFD কে ইনভার্টার বলা হয় কেন?

DC কে যখন AC তে রূপান্তরিত করা হয় তখন ইনভার্টার, আর AC কে যখন DC তে রূপান্তরিত করা হয় তখন কনভার্টার।
সুতরাং DC To AC=ইনভার্টার
           AC To DC =কনভার্টার
VFD তার অপারেশন কমপ্লিট করতে প্রথমে AC কে DC কনভার্ট করে এবং পরবর্তীতে DC কে ইনভার্টারের মাধ্যমে থ্রি ফেজ AC রূপান্তর করে।অতএব VFD কে ইনভার্টার বলা যায়।
VFD= Converter  +Inverter

ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইসের এবং মোটরের গায়ে "IP" লেখা থাকে কেন?

৬:৩২ PM 0 Comments

IP Means Ingress Protection...Protection from External element..
protection from water,jet water, Dust, Flying garments dust, oil, etc...
Commonly used IP 55,IP65...etc

IP 55 & IP 65 মানে কি,,,?

IP 55 for Normal water,dust and oil protection in normal condition
IP 65 for Jet water(say from Nozzle) and tightly dust protection

শুক্রবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

NO/ NC বিস্তারিত আলোচনা

৫:০১ PM 0 Comments

এন ও = নরমাললি ওপেন
এন সি = নরমাললি ক্লোজ

নরমাললি ওপেন অর্থাৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

নরমাললি ক্লোজ অর্থাৎ সংযোগ সংযুক্ত

উদাহরণ, একটা 2co রিলে,এর কয়েকটা পোর্ট আছে যেমন A1, A2, 11,12,14, এখন আপনি এটার কয়েল কানেকশন দেন,A1 Phase and A2 Neutral, সাথে 11 তে। উল্লেখ্য যে 11 নং পোর্ট হলো কমন, 14 হলো NO and 12 হলো
NC, এবার এটাতে পাওয়ার দিলে রিলে অন হবে আর 12 নং পোর্ট টা ওপেন হয়ে যাবে,এবং 14 নং পোর্ট টা ক্লোজ হবে কারন রিলে অফ মুডে যেটা ওপেন থাকে অন মুডে সেটা ক্লোজ হবে,আশা করি বুজতে পারছেন

ক্যাবল সাইজ বা কোডিং এর আলোচনা

৪:৫১ PM 0 Comments

আজকে ক্যাবল সাইজ & কোডিং নিয়ে একটু আলোচনা করব। তারের সাইজ জানা না থাকলে সেই তার বা ক্যাবল দিয়ে কাজ করাটা বিপদজ্জনক। কেননা আপনি যে তারটি দিয়ে কাজটি করছেন ঐ তারটি সেই কাজের জন্য উপযুক্ত নয়।
আমরা জানি, ক্যাবল সাইজ SWG (Standard Wire guage) এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। আমরা সাধারণত SWG নাম্বার ৩/২২'', ৩/২০", ৭/১৮", ৭/২২" এ নির্ধারণ করা থাকে।
এখন প্রশ্ন এই পরিমাপ গুলো দিয়ে কি বুঝব?
উপরের থেকে যেকোন একটি পরিমাপ নিলাম। ধরলাম, ৩/২২"। এখন এই তথ্য দিয়ে আমি কি বুঝব?
প্রথম সংখ্যা হল Number of Conductors এবং ২য় সংখ্যা হল Number of wire gauge. মানে ২২ গজের ৩টি conductors আছে :)
অনেক সময় ক্যাবল এর গায়ে বা ম্যানুয়াল এ ৫*৩*০.২৬ লিখা থাকে। এ কথাটার মানে কি?
এই কথাটার অর্থ হল পাঁচটি কোর এবং তিন খেই বিশিষ্ট ক্যাবল & প্রতি খেই এর ডায়ামিটার ০.২৬। এখন এই খেই কিংবা কোর কিভাবে চিনব?? নিচে চিত্র দেয়া আছে। বুঝতে সুবিধা হবে আশা করি।
ক্যাবলের গায়ে RM, SM, SE, RE এসব লিখা দেখেছেন হয়ত। এগুলো দিয়ে কি বুঝব?
RM = Multi Wire Round Conductor
অর্থাৎ, অনেক খেই বিশিষ্ট তার & আকৃতি গোলাকার
SM = Multi Wire Sectorial Conductor
অর্থাৎ, অনেক খেইবিশিষ্ট তার এবং সেক্টর আকৃতির।
সেক্টর আকৃতি হল আমরা পরিসংখ্যানে যে পাইচিত্র করেছি সেই পাইচিত্রের একটি অংশের মত।
SE= Solid Sector Conductors
অর্থাৎ, সিঙ্গেল নিরেট তার যার প্রস্থচ্ছেদ sector shaped
RE = Solid Round Conductors
অর্থাৎ, সিঙ্গেল নিরেট তার যার প্রস্থছেদ গোলাকার।
সবগুলোর চিত্র নিচে দেয়া হল।

বুধবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

A মিটার কে সিরিজে কানেক্ট করা হয় কেন

৮:১৭ AM 0 Comments

A মিটার কে সিরিজে কানেকশন করা হয়
                 কারনঃ

১। A মিটার যেন লোড কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য একে লোডের সহিত সিরিজ সংযোগ করা হয়।

২। লোড কারেন্টের যেন তারতম্য না হয় সেজন্য এর রেজিসট্যানস কম রাখা হয়।

V মিটার কে প্যারালালে কানেকশন হয়
                     কারনঃ
১। ভোলট মিটার যেহেতু লোডের বা সার্কিটের দুই প্রানতের ভোল্টেজ পরিমাপ করা হয়। তাই একে উক্ত দুইটি পয়েন্টের সাথে প্যারালালে কানেকশন করা হয়।

২। ভোলট মিটার যাতে পিড়র না যায় সেজন্য এর রোধ বেশি হওয়া উচিত।

মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

ইলেকট্রন হতে কিভাবে কারেন্ট তৈরি হয়

৭:৪৭ AM 0 Comments

অনেকেই প্রশ্ন করে স্যার পরিবাহীর মধ্যে ইলেকট্রন প্রবাহ যদি কারেন্ট হয় তাইলে এই ইলেকট্রন আসে কোত্থেকে?

উঃ পরিবাহী যে ধাতুর তৈরি সেই ধাতুর পরমাণু থেকে।

এই ইলেকট্রন পরমাণু থেকে আসেই বা কিভাবে? প্রবাহিত হয় ই বা কি করে?

উঃ যে কোন বস্তুকে স্থানচ্যুত কর‍তে বা সরাতে শক্তি প্রয়োজন। যেমন আমি একটি টেবিলকে সরাব। তাইলে আমাকে টেবিল এর উপর বল প্রয়োগ করতে হবে। তেমনিভাবে পরমানু থেকে ইলেকট্রন কে সরাতে শক্তি প্রয়োজন হয়। আর এই বল প্রয়োগে সম্পাদিত কাজ ই হল ভোল্টেজ।

ভোল্টেজ আসে কিভাবে?

আপনার জেনারেটর / ব্যাটারি থেকে।

ইলেকট্রন শেষ হয়ে যায় না কেন?

এর উত্তর দেয়ার আগে আপনি আমাকে বালতি দিয়ে সাগরকে পানিশুণ্য করে দেখান। না পারলে আপনার উত্তর আপনি পেয়ে যাবেন আশা করি।

শকের জন্য দায়ী কে?

শকের জন্য এককভাবে কাউকে দায়ী করলে ভূল হবে।

এর জন্য মূলত ভোল্টেজ কারেন্টের মাত্রা, ব্যাক্তির রোধ, কারেন্ট-ভোল্টেজের সংস্পর্শে থাকার সময়কাল দায়ী হবে।

পাওয়ার হল ভোল্টেজ & কারেন্টের গুণফল। কিভাবে?

আসলে পাওয়ার এর মূল সংজ্ঞা হল একক সময়ে সম্পাদিত কাজ। ধরলাম t সময়ে W পরিমাণ কাজ সম্পাদিত হল। তাইলে
পাওয়ার P = W/t

আবার, W = VQ

P = VQ/t

আবার, I = Q/t

P = I * V

ডিপ্লোমা ইজ্ঞিনিয়ারদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ কমছে

১২:৪৫ AM 0 Comments

উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না সিংহভাগ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। কারণ বিএসসি ডিগ্রি পেতে তাদের জন্য রয়েছে মাত্র একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কারিগরি শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে দেশে সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি ইনস্টিটিউট রয়েছে প্রায় ৪৫০টি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৭ হাজার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বের হন। ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী এই শিক্ষার্থীদের ভালোমানের বিভিন্ন চাকরির জন্য অর্জন করতে হয় বিএসসি ডিগ্রি। কিন্তু এই ডিগ্রি লাভের সুযোগ পাচ্ছেন না সিংহভাগ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। শিক্ষার্থীদের জন্য মাত্র একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান থাকার কারণেই এ অবস্থা হচ্ছে। সূত্র জানায়, এই একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। দেশে সরকারি বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও সেগুলোয় ডিপ্লোমাধারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হয় না। সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও তাদের কোনো ‘প্রবেশাধিকার’ রাখা হয়নি। এ ক্ষেত্রে এইচএসসি ও সমমানের ডিগ্রি থেকেও বঞ্চিত তারা।
জানা গেছে, ডুয়েটে প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আসন রয়েছে প্রায় ৫৫০টি। ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে একজন ভর্তিচ্ছু তিনবার ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রতিযোগীর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বিভাগে ডিপ্লোমাধারী কিছু শিক্ষার্থী বিএসসি করতে ভর্তির আবেদন করতে পারলেও এই ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। ভর্তির প্রশ্নাবলিও দেওয়া হয় কলেজের সিলেবাস থেকেই। এই সিলেবাসের অধীনে করা প্রশ্নে ভালো করতে পারেন না ডিপ্লোমাধারীরা। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করার সুযোগ থাকলেও এখানে চলে কেবলই টাকার খেলা। এ ক্ষেত্রে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই নামমাত্র শিক্ষা দিয়ে গলা কাটা ফি আদায় করা হয়। চার বছরের কোর্স শেষ করতে হলে গুনতে হয় ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের ভর্তি নেওয়া হয় না। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজনীয় উপকরণও নেই। এ কারণে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের বিএসসি ডিগ্রিপ্রাপ্তির জন্য দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাঠ সম্পন্ন করা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের উচ্চশিক্ষার সংকটসহ নানা বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে তিনি ঈদের পরে অফিসে যেতে বলেছেন। ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাস করা ডিপ্লোমা ইন পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শেষ করা আরিফ হাসান শাওন বলেন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নিয়ে এখন বিএসসির জন্য ডুয়েট ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ডিগ্রির ওপর উচ্চশিক্ষা নেওয়ার সুযোগও নেই। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু বিভাগে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হলেও ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। এইচএসসির সিলেবাসেই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তাই এখানে চান্স পাওয়াটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ডুয়েট। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৫৫০ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ রয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে বাধ্য হন।

২০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা ইউজিসির

১২:৩৯ AM 0 Comments

আবার বেসরকারি ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। ইউজিসির নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, অনুমোদন নেই এমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অননুমোদিত কোর্স বা প্রোগ্রামে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে তার দায় নেবে না ইউজিসি কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে সতর্কতা জারি করে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা রয়েছে এমন ২০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে ইউজিসি।তালিকায় থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে, ইবাইস, আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কুমিল্লার ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ও সাউদার্ণ ইউনিভার্সিটি।
এছাড়াও আরো রয়েছে কেরানীগঞ্জের রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ রূপায়ণ একেএম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়, জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস, রাজশাহীর আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহীর শাহ মখদুম ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি, খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশালের ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি, কুইন্স ইউনিভার্সিটি, গণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।

।উচ্চ শিক্ষার্থীদের নিয়ে যেন কেউ প্রতারণা করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ অবস্থান তুলে ধরে ইউজিসি। সেই কাজের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জিত ডিগ্রীর সার্টিফিকেটে মূল স্বাক্ষরকারী হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৯৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২০টিতে উপাচার্য নেই। ইউজিসির ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য রয়েছে বলে জানানো হয়।
এছাড়া এখনো পর্যন্ত কোন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা, ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার পরিচালনার অনুমতি ইউজিসি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেয়নি উল্লেখ করে এ ধরনের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে প্রতারণার শিকার না হতে ছাত্রছাত্রীদের সতর্ক করা হয়েছে।

এবিষয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। মানহীন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে শিক্ষার্থীরা যেন প্রতারিত না হয় সেজন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আমরা সতর্ক থেকে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিতে পরামর্শ দিচ্ছি।

শনিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮

NO/NC কি ভাবে কাজ করে

৬:০১ PM 0 Comments

NC ও NO contact কি?
এগুলো অক্সিলারি কন্টাক্ট। এগুলোকে ব্যবহার করে লোড কে অটোমেশন মুডে বা প্রোটেকশন এর সার্কিট তৈরি করা হয়।
NC= Normally Close নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট বন্ধ (Close) অবস্থায় থাকে।
NO= Normally Open নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট খোলা (Open) অবস্থায় থাকে।
যখন এর কয়েল এনারজাইজড হবে (বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে) তখন NC পয়েন্ট NO হবে এবং NO পয়েন্ট NC হয়ে যাবে।
অক্সিলারি কে সংযুক্ত করতে এতে অক্সিলারি ব্লোক থাকে।
Magnetic contactor এর কয়েলে কত পাওয়ার দেয়া হয়?
এটা বিভিন্ন রেঞ্জের হয়ে থাকে যেমনঃ 24VDC,24 VAC,110 VAC,240 VAC,415 VAC
Magnetic contactor এর গায়ে এটা সাধারণত উল্লেখ করা থাকে। সাধারনত কয়েলের টার্মিনাল দুটো কে A1 এবং A2 দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে।

ম্যাগনেটিক কন্টাক্ট কি

৬:০০ PM 0 Comments

★Magnetic contactor কি?
Magnetic contactor একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক চালিত সুইচ, এটার ফাংশন অনেকটা রিলের মতই । তবে রিলে সাধারনত লো পাওয়ার ও ভোল্টেজে ব্যবহৃত হয় অন্য দিকে হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার হয়। এটাতে একটি এনারজাইজড কয়েল, আয়রন কোর, কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points), মেইন কন্ট্যাক্ট টার্মিনাল (3 contacts points) ও একটি ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকে। এটির সাথে সাধারণত একটি নিয়ন্ত্রণ সার্কিট ব্যবহার করে বৃহৎ বৈদ্যুতিক লোড (বৈদ্যুতিক মোটর) স্টার্ট/স্টপ বা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কলকারখানায় মোটর কন্ট্রোল অটোমেশনে এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।
★কেন Magnetic contactor ব্যবহার করা হয়?
১। এটির মাধ্যমে একটি ছোট পুশ সুইস দিয়ে একটি বৃহৎ মোটর বা বড় বৈদ্যুতিক লোড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ ও নিরাপদ।
২। এটির সাথে কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points) থাকে, এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন সিগনাল বা স্টাটাস জানা যায়।
৩। এটির সাথে ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকায় লোডে কারেন্ট সরবরাহ কোন কারনে ওভার হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
৪। ৩ ফেজ মোটরের ক্ষেত্রে ৩-ফেজ সাপ্লাই দিতে হয়, এক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজে মোটরে ৩-ফেজ সাপ্লাই দেয়া যায়।
৫। স্টার/ডেল্টা এর ক্ষেত্রে ৩টি Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।
৬। চালু অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ হবে আবার এ অবস্থায় কারেন্ট সরবরাহ আসলেও নতুন করে স্টার্ট বাটন না প্রেস করলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ হবেনা। এতে সার্জ ভোল্টেজ থেকে ডিভাইস রক্ষা পায়।

লুমেন কোথায় কত থাকা দরকার

৫:৫৮ PM 0 Comments

#লুমেনঃ
বিভিন্ন স্থানে অনুমোদিত উদ্ভাসন লেভেল জেনে নিই।
**প্রবেশ পথ ---১০০ লুমেন/বর্গ মি:-
**বাহিরের ঘর -----৩০০ লুমেন/বর্গ মি:-
**খাবার ঘর -------১৫০ লুমেন/বর্গ মি:-
**শয়ন কক্ষে ------৩০০ লুমেন/বর্গ মি:-
**ড্রেসিং টেবিল -----২০০ লুমেন/বর্গ মি:
**আপ্যায়ন কক্ষ ------১০০ লুমেন /বর্গ মি:
**টেবিল গেমস্ -------৩০০ লুমেন /বর্গ মি:
**রান্না ঘর ------২০০ লুমেন/বর্গ মি:-
**লন্ড্রি -------------২০০ লুমেন/বর্গ মি:
**বাথরুম ------------১০০ লুমেন/বর্গ মি:
**সেলাই কাজ ------৭০০ লুমেন/ বর্গ মি:-
**কর্মশালা -----------২০০ লুমেন/বর্গ মি:
**সিড়ি ঘর ----------১০০লুমেন/বর্গ মি:
**গ্যারেজ -----------৭০ লুমেন /বর্গ মি:-
**পাঠ কক্ষ -----------৩০০ লুমেন /বর্গ মি:
**হোটেল -----------৮৬ লুমেন / বর্গ মি:
##হাসপাতাল :-
**ল্যাবরেটরি --------২১৫লুমেন /বর্গ মি:
**অপারেশন রুম ----------৩৭৬লুমেন/বর্গ মি:
**অপারেশন টেবিল ---------৩৭৬৭লুমেন/"
##অফিস_ঘর:-
**হিসাব এবং টাইপিস্ট রুম----২৪২লুমেন/বর্গ মি:
**সাধারণ রুম ------১৬১লুমেন/বর্গ/মি:
**ওয়েটিং রুম -----১৬১লুমেন/"
##শিক্ষা বিষয়ক ও ইনস্টিটিউট:-
**ক্লাশ রুম -------৩০০লুমেন/"
**ড্রইং রুম --------৪৩০লুমেন/বর্গমি
**ল্যাবরেটরি রুম -------২১৫লুমেন/বর্গ/মি:
**লাইব্রেরি -------২১৫লুমেন/বর্গ মি:
##মেশিন শপ -------
**সাধারণ কাজের জন্য ---১৩০লুমেন/" "
**মিডিয়াম কাজের জন্য ----২১৫লুমেন/" "
**ভাল কাজের জন্য -----৪৩০ লুমেন/" "
**অত্যান্ত ভাল কাজের জন্য ----৮৬১লুমেন/বর্গ.মি.