পৃষ্ঠাসমূহ

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Follow Us @soratemplates

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

অবদানকারী

বুধবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৮

কিলোওয়াট ঘন্টা

৪:৫৫ PM 0 Comments

কিলোওয়াট ঘন্টা
__________     _____________

কিলোওয়াট ঘন্টা শক্তির একটি একক (প্রতীক : kWh, kW·h, or kW h ) যা ১০০০ ওয়াট-ঘন্টা, বা ৩.৬ মেগাজুলের সমান[১][২]। যদি শক্তি একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে নির্দিষ্ট হারে (ক্ষমতা) প্রবাহিত বা ব্যবহৃত হয় তাহলে কিলোওয়াট-ঘন্টায় মোট শক্তির পরিমাণ হবে ক্ষমতা (কিলোওয়াাট) এবং সময়ের (ঘন্টা) গুণফলের সমান। কিলোওয়াট-ঘন্টা সাধারণত বৈদ্যুতিক মিটার দ্বারা ভোক্তাদের মাঝে বিতরণকৃত শক্তির জন্য একটি বিলিং একক হিসাবে ব্যবহৃত হয়

ইন্ডাকশন মটর

১:১৫ AM 0 Comments

5 HP এর উপরের মটরগুলো এবং যে সকল মোটরগুলো প্রথমে লোড আবস্থায় থাকে, সেখানে সাধারণত স্টার- ডেলটা স্টাটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ইন্ডাকশন মোটর সাধারণত স্টারটিং এর সময় ৫ থেকে ৭ গুন কারেন্ট বেশি নেয়। যদি মোটর সরাসরি সাপ্লাই লাইনের সাথে সংযোগ করা হয় তাহলে উচ্চ কারেন্ট প্রবাহিত হয়ে মোটর পুরে যেতে পারে।

স্টাটিং কারেন্ট কমাবার জন্য এ ধরনের স্টাটার ব্যবহার করা হয়।

স্টার পজিশনে প্রত্যেক ফেজের ভোল্টেজ = লাইন ভোল্টেজ/ ১.৭৩২ হয়।সুতরাং ভোল্টেজ ৫৮% হয়, ফলে কারেন্টও ৫৮% কমে যায়। মোটররে ওয়াইনডিং এর ৬ টা টারমিনালেই কানেকশন দিতে হয়।

১। স্টার পজিশন ও

২। ডেলটা পজিশন।

সোমবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৮

টিউবলাইট part(2)

২:২০ PM 0 Comments

tubelite

Part -2

দোকান দেওয়ার পরে আমার বেশ ভালো আয় হচ্ছিলো।
কিন্তু আমি ছিলাম ক্ষুদিত তাই নতুন কিছু করার জন্য চেষ্টা করে যেতাম।
বাংলালিংক এর বি টি এস এর কাজ করার সময় আমাকে চরম পরিশ্রম করতে হয়েছে। আমি কোন কাজ কে না বলতাম না। যখন যা অর্ডার করতো তাই করতাম।
এরিকসন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ ছিল, automatic voltage stabilizer, surge arrestor, isolation transformer, generator স্থাপন করে প্রতি টি base-station  সূরক্ষিত রাখা। এখানে কাজ করে বুজতে পারলাম আমরা আধুনিক টেকনোলজি থেকে কতো টা পিছিয়ে আছি। এই সময় আমরা তিন টা BTS এর কাজ শেষ করি। বাংলালিংক এর প্রতি টি base-station ১০ থেকে ১২ তলা উপরের ছাঁদে বসানো। এখানে কাজ করার সবচেয়ে বড় সমস্যা আরথিং করা কারন আরথিং তার ছাদ থেকে বোলডিং করে করে নিচে নিয়ে যেতে হতো। কোমরে সেফটি বেল্ট হাতে ড্রিল মেশিন নিয়ে এই কাজ আমাকেই করতে হতো।
সারাদিন গাধার পরিশ্রম করে সন্ধায় দোকানে এসে সারাদিনের জমা হওয়া সার্ভিসিং এর কাজ গুলো শেষ করতাম ।
যখন ইন্ডিয়ানদের সাথে কাজ করতাম তখন তাদের বেশির ভাগ সময় আরাম করতে দিতাম নয়তো বলতাম তোমরা ঘুরে আসো আমি কাজ করে দিচ্ছি। ওরা ও অনেক খুশি হতো আর এই সূযোগে আমার ও অভিজ্ঞতা বেশি হতো।
তিন মাস কাজ করার পরে আমাকে জানানো হোল তাদের কাজ শেষ তারা দেশে ফেরত যাচ্ছে।
তারা আমার ঠিকানা আর ফোন নং নিলো আর আমাকে পরের দিন আফিসে এসে একটি সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে বললো।
পরের দিন মহাখালির অফিসে যথা সময়ে উপস্তিত হলাম আর এরিকসনের প্রজেক্ট ম্যানেজার সাথে দেখা করলাম। ইন্ডিয়ানরা ওখানে আমার পরিশ্রমের উপহার স্বরূপ একটি প্রশাংসা পত্র উপহার দিল। প্রজেক্ট ম্যানেজার আমার সাথে এমনভাবে কথা বললেন যেন আমি তাঁর অনেকদিনের পরিচিত। কিন্তু কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় আমার মন এমনিতে তখন অনেক খারাপ।
বাসায় এসে দুলাভাই কে সব বললাম, উনি বললেন তোমার কাজ পছন্দ হয়েছে বলেই তারা তোমাকে প্রশাংসা পত্র দিয়েছে অপেক্ষা করো কিছুদিনের মধ্যেই তোমাকে আবার ডাকবে

(এই লেখা টি সেই সব নবিন ভাইদের জন্য যারা সারাদিন ফেসবুকে চাকরি চাই/চাকরি নাই নাই করেন। এখানে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলার চেষ্টা করেছি মাত্র। অনেকে অনেক প্রশ্ন করেছেন, প্রশ্নের উত্তর আমার লেখাতে পাবেন। যারা টেবিল চেয়ারে বসে নিজেকে অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ভাবেন এই লেখা তাদের জন্য নয়)

রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৮

PFC power Factor Correction about

১১:৩৭ PM 0 Comments

PFC  মানে Power Factor Correction ,,,,,,

অর্থাৎ power factor improve করা। প্রক্রিত পক্ষে আমরা যে PFI 0. 8 ধরি তা বইয়ের ভাষা।   practically industrial PFI এর মান হল  0.94- 0.97 এর  মাঝে   রাখা প্রয়োজন,  ১ হলে আরও ভালো।

আপনি  দেখলেন pfi এর panel এ  unity power factor দেখাচ্ছে  আপনি ত মহা খুশি কিন্তু মাস শেষে দেখলেন আপনার বিল 4০০০০/- বেশী তখন মাথায় হাত! মালিক এসে বলবে পচা ইঞ্জিনিয়ার কে বিদাই করো !  কেন বিল বেশী আসলো।

এটা ইঞ্জিনিয়ার এর দোষ। কারন আপনার HT meter এর রিডিং আর pfi ঠিক  নয় তাই এই বিল।

এখন মুল আলোচনায় আসা যাকঃ-

power factor correction :-

অনুমোদিত power factor ও গড়  power factor এর অনুপাত কে power factor correction বলে।

সুতারাং power factor correction= অনুমোদিত power factor/ গড় power factor

ধরা যাক,  একটি industri তে অনুমোদিত power factor এর মান   0.96 কিন্তু আপনার কম্পানিতে গড় power factor হল  0.81 যা   0.96. এর চেয়ে কম।

অর্থাৎ  power factor correction = allowable power factor/ average power factor

=0. 96/0.81
= 1.18

PFC এর মান 1 এর চেয়ে বেশী হলে অতিরিক্ত বিল দিতে হয়।

এবার দরেন আপনার কোম্পানিরর প্রতিদিন খরচ হয় 3000 kwh.

সুতারাং বিলিং ইউনিট = প্রতিদিনের ইউনিট * power factor correction

= 3000*1.18
=3555 kwh.
সুতারাং pfc এর কারনে অতিরিক্ত বিলিং ইউনিট

= ( 3555-3000 )
=555 kwh

তা হলে প্রতিদিন আপনাকে ৫৫৫ ইউনিট  অতিরিক্ত বিল দিতে হবে।

এই হলো power factor correction.

Engr Rafikul Islam
Electrical Engineer
Utility operation and maintenance Department
Letter n colour ltd
Khilgong Dhaka

PFI part (2)

৫:৫১ AM 2 Comments

-------------------পিএফআই পর্ব ২ -------------------
আসসালামুয়ালাইকুম । অনেক দিন পর আসলাম । কেমন সবাই ভাল তো ? ইইই এর সাথে কেউ অবশ্য খারাপ খাকে না তবুও অনেক কষ্টের পোষ্ট দেখা যায় । সর্বদা আল্লাহ্‌এর উপর ভরসা রাখুন দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্‌। অনেকেই ইনবক্স করে বলেন ভাই পিএফআই পর্ব কি শেষ । তাদের জন্য এই পোষ্ট । অনেকে বলেন ম্যাগনেটিক কন্টাক্ট , Fuse , Cable , Kvar কারেন্ট কিভাবে নির্ণয় করে । আবার অনেকে বলেন ভাই লোড যদি কমে যায় Capacitor Control কিভাবে করা যায় । ধাপে ধাপে সব উত্তর দেয়া হবে । ইতিমধ্যে পোষ্ট করার থেকে অনেক বেশি সমাধান ইনবক্স এ দেয়ার চেষ্টা করেছি । অনেকে বুঝতে আবার সক্ষম হই নি । আমি PFI Manufacture কোম্পানি তে যখন ট্রেইনিং করেছি তখন বিভিন্ন বিষয় জেনেছি তা আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ।

*** ৬০% PFI কিভাবে ?
= we know, Cos@=0.8
=cos-1(0.8)
=36.86
=sin36.86
=0.6….. Or 60% ( আশাকরি বুঝতে পেরেছেন )

*********************************************************
*** KVAR এর কারেন্ট বের করার নিয়ম ,
Example : 3kvar X 1.45 = 4.35 A … .. ( 1kvar=1.45A)

*************************************************
***Magnetic Conductor নির্বাচন কিভাবেঃ
মনে রাখবেন Magnetic Conductor সর্ব নিন্ম ২২ হবে । এবং মোট KVAR এর দিগুন হবে ।
Example: 3kvar X 2 = 6 . দেয়ার কথা কিন্তু যেহেতু সর্বনিন্ম ২২ নিতে হবে সেহেতু ২২ নিব ।
আবার , ২৫ kvar X 2 = 50 , এখানে Magnetic Conductor ৫০ হবে ।

********************************************
***Fuse কিভাবে নির্ণয় করা হয় ?
প্রথমে KVAR এর কারেন্ট বের করতে হবে তারপর এর অ্যাম্পিয়ার এর উপরে যে ফিউজ পাওয়া যায় সেটা নির্বাচন করতে হবে ।
Example : 3kvar এর কারেন্ট 4.35A তাহলে ফিউজ ৬ A হলে চলবে ।

ক্যাবল বের করার নিয়ম একটু ভিন্ন সেজন্য সামনের পর্ব এর জন্য রেখে দিলাম ।

যাদের বুঝতে অসুবিধা হয়েছে । বা কষ্ট করে বের করতে চান না তারা Comments / Email ID দেন তাহলে ৩, ৫, ৭.৫ , ১০ , ১৫ , ২০ , ২৫ , ৫০ , ১০০ , ২০০ , ৪০০ KVAR এর পূর্ণ লিস্ট আমি তৈরি করেছি । সেটা আপনাদের দিব ।

বিঃদ্রঃ আপনাদের মধ্যে অনেকে বলেন ভাই Upload করে দেন না কেন গ্রুপ এ । তাদের উদ্দেশে বলতে চাই । আপনার আগ্রহ না থাকলে এটি আপনাকে কেন দেবো । আপনার এটি দরকার / জানা প্রয়োজন থাকলে গ্রুপ এ কেন । আপনি কারো কাছে যেয়েই জানবেন । কেউ মনে কষ্ট নিবেন না ।

ধন্যবাদ ।

transformer about part (3)

৫:৪৯ AM 0 Comments

ট্রান্সফরমার পর্বঃ০৩

এ পর্বে আপনাদের নাম সম্পর্কে জানানো হবে। পরবর্তীতে Coil HT+LT Turns , Conductor Area , Dia HT Wire , HT+LT Current , Gross Core Area, Core coil Assembly , Rediator , Hiting section অর্থাৎ ট্রান্সফরমার এর আমি যতটুকু জানি সেটা আপনাদের সাথে শেয়ার ।

*** বিঃ দঃ প্রত্যেক পর্বে একটি করে প্রশ্ন থাকবে আপনাদের জন্য… আপনাদের উপস্থিতি জানার জন্য।***

পর্বঃ০৩

আগের পর্বের পশ্ন+ উত্তরঃ

**প্রশ্নঃ ট্যাঙ্ক এর মরিচা দূর করার জন্য কি ব্যবহার করা হয় + কত মিনিট রাখা হয় ওই দ্রবনে?
উত্তরঃ De- Rusting : ট্যাংক এর গায়ে যে মরিচা থাকে তা দূর করার জন্য De- Rusting ব্যবহার করা হয় । এই ধাপে ট্যাংক কে Rastokik ps দ্রবনে (10:2)লিঃ ৬০ মিনিট ডুবিয়ে রাখা হয় ।

** Degresing : ট্যাংক এর সাথে যে ময়লা থাকে তা পরিস্কার করার জন্য Fosclean nf দ্রবনে ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হয় ।

**Power Coading: Passivating করার পর ট্যাংক কে ২০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় শুকিয়ে এর গায়ে Power Coading করা হয় । Passivating (এটা আগের পর্বে দেয়া আছে)

***ট্রান্সফরমারের কোর সাধারণত সিলিকন স্টিল নামক এক ধরনের স্টিল দিয়ে তৈরি।

***ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন বুঝার উপায় কি?
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের তুলনায় সেকেন্ডারি সাইডে যদি প্যাচ সংখ্যা বেশি থাকে তাহলে সেই ট্রান্সফরমার হলো স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার।
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইডের তুলনায় সেকেন্ডারি সাইডে যদি প্যাচ সংখ্যা কম থাকে তাহলে সেই ট্রান্সফরমার হলো স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

**ট্রান্সফরমারের লস-সমূহ
০১. আইরন বা কোর লস
০২. কপার বা রেজিস্ট্যান্স লস
০৩. স্ট্রে লস
০৪. ডাই ইলেক্ট্রিক লস
আইরন বা কপার লস আবার দুই প্রকার
এডি কারেন্ট লস
হিসটেরেসিস লস

***Section of Transformar :****
01. Core settng section.
02. core cutting ..
03. Core Assembling.
04. LT Coil Section.
05. HT Coil Section
06. Core+ Coil Assembling section
07. Taping section
08. Tank Fabrication section
09. Radiator section
10. lather
11. Panel Fabrication section
12. tank up section
13. Testing section
14. Power Coating section

***প্রস্নঃ ট্রান্সফর্মারে কর্মদক্ষতা কেন বেশি হয়ে থাকে?***********************************************************************

বিঃ দঃ ট্রান্সফরমার এর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নেক্সট পর্বে ...
. ধন্যবাদ ।

চলবে…………………………………………………………

শনিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৮

Motor name plat

৬:৩০ PM 0 Comments

মোটর নেমপ্লেটের এর টুকিটাকি (পর্ব -০২)

.
#কারেন্ট ঃ মোটরের গায়ে অনেক সময় এটা এভাবে লেখা থাকে ঃ

FLA -17A যার অর্থ হচ্ছে মোটরের ফুল লোড এম্পিয়ার হচ্ছে ১৭ এম্পিয়ার। যখন একটা মোটর কোনও লোড ছাড়া চালানো হয় তখন মোটরটা যেই কারেন্ট নেয় সেটা ঐ মোটরের নো লোড কারেন্ট যার পরিমান থাকে কম এবং মোটর এই কারেন্ট টা নেয় মোটরটার রোটর ঘুরাতে। এখানে লক্ষণীয় বিষয় এটা যে এই অবস্থায় মোটরটা কিন্তু কোনও কাজ করছে না। এখন মনে করি এই মোটরটাকে একটা ভারি কিছু দেয়া হল ১ তলা থেকে ৫ তলা পর্যন্ত উঠানোর জন্য। এখন বস্তুটার উপর ক্রিয়াশীল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি চাইবে বস্তুটাকে টেনে ধরে রাখতে। এই অবস্থায় যদি বস্তুটার সাথে মোটরের রোটর কাপ্লিং করা হয় তবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি চাইবে মোটরের রোটর কে টেনে ধরতে। ঠিক ঐ সময়েই মোটরটা নো লোড কারেন্ট থেকে বেশী কারেন্ট নেয়া শুরু করবে এবং এই কারেন্ট দিয়ে মোটরটা টর্ক তৈরি করবে এবং এই মুহূর্ত থেকে মোটরটা ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার কে মেকানিক্যাল পাওয়ার এ রুপান্তর শুরু করবে এবং এই প্রক্রিয়ায় মোটরটা তার ঘূর্ণন অব্যাহত রাখবে। মোটরের রোটরকে যত ঘুরতে বাধা দেয়া হবে মোটরটা তত বেশী কারেন্ট নিবে এবং ঘুরবার চেষ্টা করবে। এভাবে মোটরটা যখন তার নেমপ্লেট মেকানিক্যাল আউটপুট দেয় এবং সেই সময় মোটরটা যেই পরিমান কারেন্ট নেয় তাকেই মোটরের ফুল লোড এম্পিয়ার বলে। তবে এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এই ফুল লোড এম্পিয়ার এর মানটা কিন্তু সাপ্লাই ভোল্টেজের মানের উপর নির্ভরশীল। যখন মোটরের নেমপ্লেট ভোল্টেজ দেয়া হবে এবং যখন ভোল্টেজ গুলো ৩ ফেজেই সমান হবে শুধুমাত্র তখনই মোটরটা তার নেমপ্লেট এম্পিয়ার নিবে।

মোটরের এই কারেন্ট এর মান টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারন এই মানের উপর নির্ভর করেই মোটরের কেবল সাইজ, সার্কিট ব্রেকার, ওভারলোড রিলের মান নির্ধারণ করা হয়।

#ফেজঃ মোটরের গায়ে এটা লেখা থাকে যে মোটরটা কয় ফেজ সাপ্লাইএ চলবে অর্থাৎ এটা ০১ ফেজ মোটর না ০৩ ফেজ মোটর এটা লেখা থাকবে।
#আরপিএমঃ আরপিএম বা Revolution per minute যাকে বাংলায় বলে প্রতি মিনিটে ঘূর্ণন সংখ্যা, এর মান সব মোটর এর নেমপ্লেটে দেয়া থাকে এবং এক্ষেত্রে মোটর তৈরিকারকরা মোটরের স্লিপ বিবেচনায় নিয়েই আরপিএমের মানটা মোটরের নেমপ্লেটে লিখে থাকেন। তবে মুল কথা হচ্ছে এটা হচ্ছে সেই সর্বোচ্চ স্পীড যা মোটরটা দিতে পারে যখন মোটরটা তার আউটপুটে তার ফুল লোড মেকানিক্যাল পাওয়ার দিচ্ছে।

তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে যে অবশ্যই মোটরটার ইনপুটে নেমপ্লেট ফ্রিকোয়েন্সিতে নেমপ্লেট ভোল্টেজ দিতে হবে।মোটরের গায়ে এটা অনেক সময় এভাবে লেখা থাকেঃ F/L RPM:2800 বা 2800r/min।
আজ এই পর্যন্তই।

সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১৮

ম্যাগনেটিক কন্টাক্ট এর খুটিনাটি আলোচনা

৫:০৪ PM 0 Comments

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর বিষয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা
   
ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর নাম কম-বেশি আমরা অনেকেই শুনেছি। আজ আমরা ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর নিয়ে বিস্তারিত জানবো। ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর অনেক মজার একটি বিষয়।

আমাদের অনেকের মাঝে এই বিষয়টি একটু জটিল। এই লেখাতে চেষ্টা করবো সহজ ভাষায় আলোচনা করতে। একজন ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের ছাত্র হিসেবে ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর নিয়ে সুস্পষ্ট ধারনা থাকা উচতি। তাহলে চলুন দেরি না করে দেখি ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের কি কি প্রশ্ন আলোচনা করা হবে।

ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর কি বা কাকে বলা হয়?
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের গঠন?
নরমালি ক্লোজ ও নরমালি ওপেন কন্টাক্টর নিয়ে আলোচনা।
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের কার্যপ্রনালী।
কেন ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে?
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর কি বা কাকে বলা হয়?

ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর হলো ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক চালিত সুইচ। এটি সচারচর অনেক বড় বড় অটোমেশন ইন্ডাস্ট্রিতে মোটর কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটার ফাংশন আর রিলের ফাংশন অনেকটা একই রকমের। তাহলে প্রশ্ন হতে পারে বন্ধুদের, যে কোন একটা হলেই তো হয়তো।

কিন্তু না, রিলে সাধারণত লো পাওয়ার ভোল্টেজে ব্যবহিত হয় আর ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আমরা ইলেকট্রনিক্সের ছোট ছোট প্রজেক্ট তৈরি করার সময় অনেকে ক্ষেত্রে দেখে থাকি যে, রিলে ব্যবহার করছি। অনেক বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিতে মোটরের কন্ট্রোল অটোমেশনে এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তাহলে আমরা এভাবে বলতেই পারি যে, ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর এক দরনের কন্টাক্টর যেটি পাওয়ার ইলেকট্রিক  মোটরকে বা লোড কে চালু এবং বন্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের গঠন ?

এর গঠন প্রনালি অনেক সহজ। ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর নিম্মলিখিত বিষয় নিয়ে গঠিত।

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর

মেইন কন্টাক্টঃ এটি মূলত পাওয়ার কে সুইচিং এর মাধ্যমে লোড অফ অন এর কাজ করে থাকে। এর ৩ টি ইনপুট এবং ৩ টি আউটপুট টার্মিনাল থাকে। ইনপুট টার্মিনাল গুলোকে L1, L2 এবং L3 ও আউটপুট টার্মিনাল গুলোকে T1, T2, এবং T3 দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
অক্সিলারি কন্টাক্টঃ এই কন্টাক্ট টি সাধারণত কন্ট্রোল সার্কিটের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি লোড কে অটোমেশন মুড বা প্রটেকশন এর সার্কিট তৈরি করা হয়। এতে দুই ধরনের টার্মিনাল থাকে। ১) নরমালি ওপেন (NO) ২) নরমালি ক্লোজ (NC)
পাওয়ার সাপ্লাই কয়েলঃ এই কয়েল ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক সৃষ্টি করে থাকে। এতে পাওয়ার সাপ্লাই দিলে এটি এনার্জাইজড হয়ে চুম্বকে পরিণত হয় ও মেইন কন্টাক্ট গুলোকে নরমালি ওপেন থেকে নরমালি ক্লোজ কন্ডিশনে আনে। কয়েলের টার্মিনাল দুটোকে A1 এবং A2 দ্বারা চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এটা সলেনয়েড কে এনার্জিড করে থাকে। এটি বিভিন্ন পাওয়ার সাপ্লাই রেঞ্জের হয়ে থাকে (২৪VDC, ২৪VAC, 110VAC, 240VAC, 415VAC)
অক্সিলারি ব্লকঃ অক্সিলারি কে সংযুক্ত করতে অক্সিলারি ব্লোক থাকে। এই অক্সিলারি ব্যবহার করার মাধ্যমে অতিরিক্ত নরমালি ওপেন ও নরমালি ক্লোজ টার্মিনাল তৈরি করে নেওয়া যায়।
নরমালি ক্লোজ ও নরমালি ওপেন কন্টাক্টর নিয়ে আলোচনা

এই কন্টাক্টগুলো হলো অক্সিলারি কন্টাক্ট। নরমালি ক্লোজ ও নরমালি ওপেন কন্টাক্ট ব্যবহার করে লোডকে অটোমেশন মুডে বা প্রটেকশন সার্কিট তৈরি করা হয়।

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর

নরমালি ক্লোজঃ নরমাল ক্লোজ অবস্থায় যখন এর কয়েল এনার্জাইজড থাকেনা, এটার অক্সিলারি কন্টাক্ট বন্ধ অবস্থায় থাকে।

নরমালি ওপেনঃ এটার অক্সিলারি কন্টাক্ট খোলা অবস্থায় থাকে।

ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের কার্যপ্রনালী

যখন কন্টাক্টরের মধ্য দিয়ে কারেন্ট অতিক্রম করে তখন ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তৈরি হয় এবং ম্যাগনেটিক ফিল্ড উৎপন্ন করে থাকে। এই ম্যাগনেটিক ফিল্ড মুভিং কোর কে আকর্ষণ করে থাকে।

কন্টাক্টরের কোরটি ঘুরতে শুরু করে যা মুভিং কন্টাক্ট কে এনার্জিড করতে সহায়তা করে। মুভিং এবং ফিক্সড কন্টাক্ট শর্ট সার্কিট তৈরি করে থাকে। এর মাধ্যমে কারেন্ট পরবর্তি সার্কিটে অতিক্রম করে থাকে।

শুরুর দিকে আর্মেচার কয়েল অনেক বেশি কারেন্ট বহন করে থাকে। কয়েলের মধ্যে দিয়ে এই কারেন্ট অতিক্রম করার সময় খুব দ্রুত কমে যায়। যখন কারেন্ট থেমে যায়, কয়েল ডি-এনার্জাইজড হয় এবং কন্টাক্ট ওপেন হয়ে যায়।

কেন ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে?

ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর দিয়ে ছোট পুশ সুইচের সাহায্যে অনেক বড় মোটর বা লোড কে নিয়ন্ত্রন করা যায় সহজে ও নিরাপদে।
অক্সিলারি কন্টাক্ট (নরমালি ওপেন ও নরমালি ক্লোজড) মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা স্ট্যাটাস জানা যায়।
এটির সাথে ওভারলোড রিলে থাকে। কোন কারনে ওভার কারেন্ট হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে এটি লোড কারেন্ট সরবরাহে বাধা প্রদান করে থাকে।
তিন ফেজ মোটরের জন্য তিন ফেজ সাপ্লাই দিতে হয়। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করে সহজে মোটরে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায়।
স্টার-ডেল্টা এর ক্ষেত্রে তিনটি ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।
চালু অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে লোড কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। এ অবস্থায় কারেন্ট পুনরায় সরবরাহে আসলেও স্টার্ট বাটনে প্রেস না করলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ হবে না।  এতে করে সার্জ ভোল্টেজ থেকে ডিভাইস রক্ষা পয়

আমার লেখার ভুল-ত্রুটি বা জানারও ভুল থাকতে পারে। কোন কিছু ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টেতে দেখার অনুরোধ রইলো। আজ এই পর্যন্ত বন্ধুরা। অন্য বিষয় নিয়ে খুব শিগ্রয় আপনাদের সামনে হাজির হবো।

রবিবার, ১ এপ্রিল, ২০১৮